সুশীল মান্ডি,টিডিএন বাংলা: এবছর জয়েন্ট এন্ট্রান্স দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির প্রথম পর্যায়ের কাউন্সেলিং হয়ে গেছে। তিন দফা কাউন্সেলিং হওয়ার পরেও ফাঁকা রয়ে গেছে ৬৪% আসন। তার মধ্যে যাদবপুর- কল্যাণী-জলপাইগুড়ি প্রভৃতি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বহু বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। এই ফাঁকা  আসনগুলি পুনরায় ভর্তি করার জন্যে হবে ‘মপ-আপ কাউন্সেলিং’। কিন্তু তাতে থাকবে না কোনরকম সংরক্ষণ! সংরক্ষিত আসন অনুযায়ী খালি সিটের তালিকা বের হলেও সেগুলো ভর্তি করা হবে জেনারেল ক্যাটাগরির ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে।

শহর থেকে মফস্বলের অলিতে গলিতে যেভাবে ব্যবসায়িক স্বার্থে টাকা কামানোর ধান্দায় বেসরকারি  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গজিয়ে উঠেছে, তারা যে সংরক্ষণ মানতে চাইবে না – এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আজ সেই রাস্তা নিজের হাতে মসৃণ করে দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সরকার এমন সংবিধানবিরোধী কাজ করতে পারে কি?

অবিলম্বে এমন সংবিধানবিরোধী সংরক্ষণবিহীন কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি এবং সমস্ত বন্ধুদের কাছে এই শিক্ষাব্যবসায়ী সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।
(টিডিএন বাংলায় প্রকাশিত লেখাটি যাদবপুরের ছাত্র ও র‍্যাডিকালের নেতা সুশীল মাণ্ডির ফেসবুক থেকে নেওয়া)