মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাঁচাতে সমাজ সচেতন মানুষের প্রতি আহ্বান

0
মনে অফুরন্ত উদ্যম আশা নিয়ে অগনিত হবু শিক্ষকগণ এমএসসি-র মাধ্যমে গৃহীত পরীক্ষায় পাস করে ইন্টারভিউ দিয়ে প্রহর গুনছে। তারা আজ মৃতপ্রায়। এর ফলে মাদ্রাসার কোমল পড়ুয়ারা শতগুন ক্ষতির মাশুল দিচ্ছে। এই ছোট্ট ছোট্ট শিশু গুটিগুটি পায়ে হয়ত পথ চলতে শেখাবে। তারাই আজ বঞ্চনার চক্রান্তের শিকার।
মাদ্রাসা শিক্ষায় কেমনভাবে শিক্ষক নিয়োগ হবে তাই নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আজ সততার বিচার হচ্ছে। এ লজ্জা আমাদের সবার, এ লজ্জা আমাদের সমাজের। বিচারকের হাতে ন্যায়দন্ড, কিন্তু তাকে দৃঢ় বন্ধনে বেঁধেছে আইনজীবির সুকৌশল ইন্ধন। সরকারী অফিসের কিছু নামধারী সূক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি এই খেলায় মত্ত। প্রকৃত সত্য প্রায় সবাই জানে। কিন্তু কেউ সঠিক জায়গায় জানাতে চায় না। ভয় হয় যদি বুমেরাং হয়ে সেই অস্ত্র নিজের দিকে ফিরে আসে।
তবে হ্যাঁ, মানুষ মনুষ্যত্বের নিকট সজাগ হয়েছে। ধোঁয়ার উৎস সন্ধান করে আগুনের প্রকৃত কান্ডকারখানা কোথায় তার রহস্য বুঝতে পেরেছে। সাধারণ মানুষ হয়ত বংশপরম্পরায় জন্মগতভাবে নিপীড়ন বঞ্চনার ইতিহাস জেনে গেছে।অপেক্ষার অবসান হতে আর বাকি নেই। শুধু সময়ের কয়েকটা করাঘাত, তাহলে কীভাবে কখন মোড় ফিরে গিয়ে নতুন ভোর হবে আশার আলো প্রকাশ পাবে। টের পাওয়া যাবে পরে। মাদ্রসা শিক্ষা নতুন গতিতে আবার প্রাণ ফিরে  পাবে।
এ কি এই ঘটনা বুঝতে পেরেছে সেই কূচক্রীর দলবল। তাই অপরাধের সাক্ষী অন্ধকার দিয়ে ঢাকার প্রয়াস চলছে।আমাদের সত্যের বাজনার হুংকারে ভয় পেয়েছে বুঝি! সেই সত্যের বাণী আবারও পৌঁছে দিতে হবে সুবিচারক, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন আমাদের  জনপ্রতিনিধির দরবারে, আগামী ১৬ই মার্চ কলকাতা রাজপথের কালীঘাট প্রাঙ্গণে। সমাজকে রক্ষা করার গুরু দায়িত্ব নিতে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে  চরম ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, কালীঘাটে সময়ের  শুভ সূচনা করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের আহ্বান রইল। আপনারা সত্যের বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসুন। মাদ্রাসায় পাঠরত যে শিশু অন্ধকারে পথ হারিয়ে ফেলছে  সেই নিষ্পাপ  মন যাতে, ভবিষ্যতে সমাজকে সৃষ্টির নতুন দিশা  দেখায়, তার জন্য আপনাকে পথপ্রদর্শক  হয়ে আসতেই হবে।
আশিস কুমার ঘোষ
এক সাধারণ নাগরিক