জনসংখ্যা রোধে সংখ্যালঘু এলাকায় আরএসএস-এর ভ্যাকসিন! ভয়ে স্কুল থেকে পালাচ্ছে ছাত্রী

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় হাতে হাতে ইনজেকশন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আরএসএস কর্মীরা। বিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে এই ইনজেকশন। এই ইনজেকশন দিলে নাকি ভবিষ্যৎ এ ছাত্র ছাত্রীরা সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা হারাবে। এই গুজবই ছড়িয়ে পড়েছে হাজো, বরবেটা, রুপহি, মন্দিয়া সহ নিম্ন অসমের বিভিন্ন এলাকায়। ভয়ে পড়ুয়ারা স্কুল ছেড়ে পালাচ্ছে। সব মিলিয়ে এক ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে অসমের নিম্ন অধ্যুষিত এলাকায়।

নিম্ন অসমের হাজো, বরবেটা, রুপসি, মন্দিয়া এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরেই গুজব রটেছে, সংখ্যালঘু জনসংখ্যা রোধ করতে এই বিশেষ ভ্যাকসিন দিতে মাঠে নেমেছেন আরএসএস-এর সদস্যরা। স্কুলে স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের এই ভ্যাকসিন দেবেন তারা যাতে পড়ুয়ারা ভবিষ্যতে সন্তান জন্ম দিতে না পারে। এতে এমনিতেই মুসলমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের আসবে। যদিও এলাকার সচেতন মানুষদের পরিষ্কার দাবী এটা একেবারে গুজব, এমন কিছুই হচ্ছে না। স্কুলের শিক্ষকরাও পড়ুয়াদের বোঝাতে চাইছেন কিন্তু শিক্ষকের কথা না শুনেই পড়ুয়ারা জানালা দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

খবর রয়েছে নিম্ন অসমের অধ্যুষিত এলাকায় কে বা কারা গুজব ছড়িয়েছে মুসলমান জনসংখ্যা রোধে একটি বিশেষ ভ্যাকসিন এর মাধ্যমে মুসলমান পড়ুয়াদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করতে মাঠে নেমেছে আরএসএস। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক উঁচু ক্লাসের পড়ুয়ারাও বলেছেন আমরা শুনেছি যাতে ভবিষ্যতে আমাদের সন্তান না হয় তাই আমাদের ইনজেকশন দেয়া হবে। এতে ভয় পেয়ে আমরা স্কুল থেকে পালিয়ে এসেছি। তবে বিদ্যলয়ের পক্ষ থেকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এরকম কিছুই হচ্ছে না। এটা পুরোটাই গুজব।  একইভাবে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে মাঠে নেমেছেন সচেতন মানুষও।কিন্তু এতেও তেমন কোনো কাজ হচ্ছে না। (সৌজন্যে – দৈনিক যুগশঙ্খ)

মন্তব্য করুন -