রায়ের কপি দিতে আর বিলম্ব করলে উচ্চ আদালতে যাবে বিএনপি

0

টিডিএন বাংলা ডেস্কঃ রায়ের কপি দিতে আর বিলম্ব করলে উচ্চ আদালতে যাবে বিএনপি, এমনটাই জানালেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী
। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়ের পর ১০ দিন পার হলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন করা যায়নি। কারণ, পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি বা নকল ছাড়া হাইকোর্টে আপিল করা সম্ভব নয়।

২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী নেওয়া হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল,  ঘোষিত রায়ের ফটোকপি আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে সরবরাহ করতে পারেন। বাস্তবে এর অনুশীলনও শুরু হয়েছে।

Advertisement
head_ads

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আইনের আওতায় রায় ঘোষণার দিন তাঁরা পূর্ণ রায় পড়ে শোনানোর দাবি করেননি কিংবা তার ফটোকপি চেয়ে দরখাস্ত করেননি। তিনি বলেন, ‘আমরা এটা চিন্তাও করতে পারিনি যে আদালত রায় ঘোষণার পরে নকল দিতে এতটা বিলম্ব করতে পারে।’ তবে তাঁরা মনে করেন, রায়ের অনুলিপি পাওয়া সংক্রান্ত আইন এরই মধ্যে লঙ্ঘিত হয়েছে। আজ অনুলিপি না পাওয়া গেলে উচ্চ আদালতে তাঁরা এর প্রতিকার চাইবেন।

২০০৯ সালে ফটোকপির বিধান প্রবর্তন কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবসরপ্রাপ্ত সদস্য বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে কেউ রায়ের নকল পেতে চাইলে জরুরি ফি জমা নিয়ে কতগুলো ফোলিও লাগবে, নকলখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সেটি নির্ধারণ করেন। ফোলিও জমা দিয়ে রায়ের কপি পেতে এভাবে অহেতুক দীর্ঘ সময় লেগে যেত। এখন কম্পিউটারের যুগ। তাই সাধারণভাবে এটাই ধরে নেওয়া হবে যে, বিচারক পূর্ণাঙ্গ রায় প্রস্তুত করেই প্রকাশ্যে আদালতে তা ঘোষণা করেছেন। তাই রায় ঘোষণামাত্রই তা বিচারকের দ্বারা স্বাক্ষরিত, এরপর তা অভিযুক্তের আবেদনক্রমে ফটোকপি হিসেবে তা সরবরাহ, এমনকি ওয়েবসাইটেও দেওয়া সম্ভব। আমরা সেই বিবেচনায় রায়ের ফটোকপি সরবরাহের বিধান চালু করি।’ সেটির ২৪০ বিধিতে রায়ের নকল ‘যথাসম্ভব দ্রুত’ দিতে বলা হয়েছে।

খন্দকার মাহবুব হোসেন স্বীকার করেছেন, রায়ের ফটোকপির বিধানটির কথা আইনজীবী প্যানেলের জানা থাকার কথা। কিন্তু ২০০৯ সালের সেই বিধানের আওতায় তাঁদের কেউ প্রথমে রায়ের ফটোকপি প্রার্থনা করেননি।

head_ads