ইসলাম প্রচারে আওয়ামী লীগ ছাড়া কোন দলের ভূমিকা নাই : খালিদ

0

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : আওয়ামী লীগ ছাড়া ইসলামের প্রচারে কেউ উল্লেখযোগ্য কোন ভূমিকা রাখে নাই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার জেলার বোচাগঞ্জে উপজেলার সব ঈদগাহের ইমামদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ইসলামের সেবা করে, আর বিএনপি-জামায়াত ইসলামের নামে রাজনীতি করে। তারা ধর্মের নামে জঙ্গি-সন্ত্রাস করে ইসলামকে কলুষিত করেছে।

ইমাম ও খতিবদের উদ্দেশ্যে খালিদ বলেন, আপনারা মুসুল্লিদের হক কথা বলবেন। যেটা সত্যি সেটাই বলবেন। এই বাংলাদেশে ইসলামের প্রকৃত পরিচর্যাকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তারই যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকাণ্ড যথাযোগ্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। শুধু বাংলাদেশে নয়; সারা বিশ্বের নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহর বলিষ্ঠ কণ্ঠের নাম শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিকভাবে ইসলাম বুঝতে পারে সেজন্য আওয়ামী লীগ সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রতিটি মসজিদে মক্তব চালু করা হয়েছে। শিক্ষা নীতিমালায় নামাজ শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইসলামের নামে যারা সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদ করে; তাদের দমন করে বাংলাদেশে ইসলামকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করেছে আওয়ামী লীগ।

ইমামদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তার হাত ধরেই বিশ্ব ইসলামী সংস্থা ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর পরই এদেশে মদ-জুয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারও ইসলাম ধর্মের প্রচারে সচেষ্ট। এদেশে একটা সময় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার আবার তা চালু করেছে। আওয়ামী লীগ সব সময় কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন পাসের বিপক্ষে।

আওয়ামী লীগই মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন করেছে, আলেম ওলামাদের দীর্ঘ দিনের দাবি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। ঈদে মিলাদুন্নবী, শবেকদর, শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। ইসলাম প্রচারে তাবলিগ জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক করেছে আওয়ামী লীগ। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রচলিত সনদের সমমানের মর্যাদাও দিয়েছে বর্তমান সরকার। ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। ইমাম ও খতিবদের এসব হক কথা জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান খালিদ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারোয়ার মোর্শেদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সৈয়দ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. আফছার আলী, সেতাবগঞ্জ  পৌরসভার মেয়র আব্দুস সবুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিরল উপজেলায়ও অনুরূপ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

সূত্র : ইত্তেফাক