যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহু’র ফ্রান্স সফরের প্রতিবাদে প্যারিসের রাস্তায় হাজারো মানুষ

0

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ইউরোপীয় কয়েকটি দেশ সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ফ্রান্স পৌঁছেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এদিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে তার সফর বাতিলের জন্য হাজার হাজার মানুষ প্যারিসের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন।

ফিলস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ১৯ বছর বয়সী ছাত্র অ্যান্টোনিয় বলেন, ‘গত মাসে ইসরাইলের সেনাবাহিনী কর্তৃক কয়েক ডজন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে হত্যার বিষয়টি নেতানিয়াহু ও বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দিতে আমরা এখানে জড়ো হয়েছি।’ নেতানিয়াহুর ফ্রান্স সফরের উদ্দেশ্য হচ্ছে- ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের সমর্থন প্রত্যাহারের চেষ্টার পাশাপাশি যৌথ ফরাসী-ইসরাইলী সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক প্রকল্প উদ্বোধন করা।

যাইহোক, এদিন প্যারিসের রাস্তায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ইসরাইলের নিষ্ঠুর আচরণ এবং গাজা সীমান্তে ইসরাইলী সেনাদের অ্যাকশনের ওপর বিশেষ আলোকপাত করা হয়।

২০ বছর বয়সী মেডিসিনের ছাত্রী ইয়াসমিন বলেন, ‘ফিলিস্তিনি নার্স রাজান আল-নাজ্জারকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যায় বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। এই হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।’

গাজা সীমান্তে আহত ফিলিস্তিনীদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার সময় ১ জুন ২১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনী নার্স রাজান আল-নাজ্জারকে গুলী করে হত্যা করে ইসরাইলি সেনারা। র্যা লিতে বিক্ষোভকারীরা নাজ্জারের ছবি বহন করে। এসময় তারা ‘ইসরাইলী হামলাকারী, ম্যাক্রোনের দোসর’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

ফ্রান্সে প্যালেস্টাইন সলিডারিটি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ৬৫ বছর বয়সী জ্যাকস বলেন, ‘ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের কারণে আমরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও ব্যাথিত।’ তিনি বলেন, ‘ম্যাক্রন ও নেতানিয়াহু ফ্রান্স-ইসরাইল সেশনের উদ্বোধন করছেন, যা একটি কলঙ্ক কারণ এর মাধ্যমে ইসরাইল ফ্রান্সের মূল্যবোধকে লঙ্ঘন করছে।’

এদিকে, তেহরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে বার্লিনের সমর্থন প্রত্যাহারে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেলকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছেন ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ম্যার্কেল তাকে বলেছেন, জার্মানি ইসরাইলের সুরক্ষার অধিকার সমর্থন করে। তবে নিজ দেশকে নিরাপদ করে তুলতে পরমাণু চুক্তি বাতিলের ইসরাইলী অজুহাত নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

চুক্তি বাতিলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইউরোপীয় তিন দেশ সফরে করছেন ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী।

২০১৫ সালের জুনে তেহরানের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে ৬ জাতিগোষ্ঠী চুক্তি স্বাক্ষর করে। ভিয়েনায় নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্য রাষ্ট্র (পি-ফাইভ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি (ওয়ান) চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

নেতানিয়াহুর প্রস্তাবে ম্যার্কেলের না : তেহরানের সঙ্গে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি থেকে বার্লিনের সমর্থন প্রত্যাহারে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেলকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছেন ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ম্যার্কেল তাকে বলেছেন, জার্মানি ইসরাইলের সুরক্ষার অধিকার সমর্থন করে। তবে নিজ দেশকে নিরাপদ করে তুলতে পরমাণু চুক্তি বাতিলের ইসরাইলী অজুহাত নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

চুক্তি বাতিলের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইউরোপীয় তিন দেশ সফরে গেছেন ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী।

২০১৫ সালের জুনে তেহরানের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে ৬ জাতিগোষ্ঠী চুক্তি স্বাক্ষর করে। ভিয়েনায় নিরাপত্তা পরিষদের ৫ সদস্য রাষ্ট্র (পি-ফাইভ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি (ওয়ান) চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

পূর্বসূরি ওবামা আমলে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিকে ‘ক্ষয়িষ্ণু ও পচনশীল’ আখ্যা দিয়ে গত ৮ মে তা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেও নিজেদের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা নিশ্চিত করেছে তিন ইউরোপীয় দেশ ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী বাকি দুই দেশ রাশিয়া এবং চীনও রয়েছে একই অবস্থানে।

tdn_bangla_ads