যোগির রাজ্যে সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত এক চক্ষুহীন গরীব মা

0

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : পাননি বিনামূল্যের গ্যাস কানেকশন। না পেয়েছেন বিনামূল্যের বিদ্যুৎ কানেকশান। আর আবাস প্রকল্পের কথা না হয় বাদই দেওয়া গেল। তিনি পেয়েছেন শুধু সরকারি দফতরগুলির অসভ্য ব্যবহার। এই গল্প উত্তরপ্রদেশের একজন ৮০ বছর বয়সি বৃদ্ধার, যিনি সরকারি প্রকল্পের অপেক্ষায় নিজের চোখের জ্যোতি হারিয়েছেন। বৃদ্ধা নৈনী দেবী নিজের পরিবারকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন দিনের পর দিন। আগ্রার ব্লক পিনাহটের মোদীপুরা গ্রামে একটি মাটির ঝুপড়িতে নিজের পরিবারের সঙ্গে থাকেন ওই বৃদ্ধা।


ঘাস পাতায় তৈরী ছাউনি, কাঁচা মাটির দেওয়াল, বাঁশ ও ডালপানার দরজা জানালা। নৈনী দেবীর ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের রাজপ্রাসাদের বর্ণনা এরকমই। যদিও এই রাজপ্রাসাদা দেখতে অনেকটা ঝুপড়ির মতোই। এই ঝুপড়িতে রয়েছে একটি চারপায়া, মাটির থালা বাসন এবং দু’ মিটার দড়ির উপর ঝুলে থাকা জামাকাপড়। এই মহামূল্যবান সামগ্রীই নৈনী দেবীর সম্পদ, যা নিয়ে তিনি দুই ছেলের সঙ্গে বসবাস করেন। বিবাহিত দুই ছেলের বউ ও ছেলেরাও থাকেন পাশের একটি ঝুপড়িতে। 

মোদীপুরার নৈনী দেবী জন্মান্ধ নন। সরকারি দফতরে ঘুরে ঘুরে চোখের জ্যোতি হারালেও আজও মেলেনি সরকারি সহায়তা। মা অন্ধ হওয়ার পর তার ছেলেরা টানা কয়েকবছর ধরে সরকারি দফতরে আবেদনপত্র দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, নৈনী দেবীর ছেলেরা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল এমনকি প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছেন। এই চিঠিতে তারা নিজেদের সমস্যার কথা জানালেও সরকারি সহায়তা আজও অধরা।