টিডিএন বাংলা ডেস্ক : বহুবিতর্কিত অযোধ্যা মামলার রায় আগামী শুক্রবারই জানাতে পারে সুপ্রিমকোর্ট। বিতর্কিত ওই মন্দির আদৌ নির্মাণ হবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরই স্পষ্ট হতে পারে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালতের ওই রায়ে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সুপ্রিমকোর্টের বর্তমান বিচারপতি দীপক মিশ্রের অবসরের আগে এটাই সব থেকে বড় রায় প্রদান হতে চলেছে। যে কোনও স্থানে নামাজ পড়া নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের পূর্ব রায়েরও পুনর্বিবেচনা হতে পারে ওই রায়ে। কারণ নামাজ পাঠের জন্য মসজিদ অবশ্যম্ভাবী কি না, সে প্রশ্ন নিয়েও নতুন করে মত জানাতে পারেন প্রধান বিচারপতি।

১৯৯৪ সালের একটি রায়ে সুপ্রিমকোর্ট বলেছিল, যেকোনো স্থানে নামাজ পাঠ সম্ভব। এর জন্য যে মসজিদের আবশ্যিকতা রয়েছে, তেমনটা নয়। তবে একই সঙ্গে জানানো হয়, পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে সরকার। যদি মনে করা হয় নামাজ পাঠের জন্য মসজিদ নির্মাণ করতে হবে সেটা সরকারই স্থির করবে।

এমন রায়ের পর থেকেই মুসলমান সম্প্রদায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলতে শুরু করে। ২০১০ সালেও এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি রায়ে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিকে ৩টি খন্ডে বিভক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। মুসলমান সম্প্রদায়ের অভিযোগ, সেক্ষেত্রেও মূল খণ্ডটি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়।