ফের রশিদ অস্ত্রে ধরাশায়ী টাইগাররা, ৩ ম্যাচের সিরিজে জয়ী আফগানিস্তান

0

স্পোর্টস ডেস্ক, টিডিএন বাংলা : রশিদকে নিয়ে চিন্তা না করতে চাইলেও সেই রশিদের কাছেই ধরাশায়ী হলো বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে এই স্পিন বিস্ময়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে মাত্র ১৩৪ রান সংগ্রহ করতে পারে টাইগার শিবির। আর এই ছোট সংগ্রহ পার হয়ে আফগানিস্তান জিতে যায় ৬ উইকেটে। ম্যাচের পাশাপাশি তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই রানে থাকে আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদের ২৪ রান ও উসমান গনির ২১ রানে শক্ত শুরু পায় আফগানরা। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে আবু হায়দার রনির বলে আউট হয়ে ফেরেন শাহজাদ। তবে ওয়ান ডাউনে নামা সামিউল্লাহ শেনওয়ারির সংগ বেশ খানিকটা এগিয়ে নেয় রান। ব্যক্তিগত ২১ রানে রুবেলের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উসমান। মাত্র ৪ রানে আউট হয়ে ফেরেন অধিনায়ক আসগর স্ট্যানিকজাই।

তবে শেনওয়ারির ব্যাটে জয়ের বন্দরে পৌছাতে তেমন কষ্টই করতে হয়নি আফগানিস্তানকে। রান কিছুটা আটকে দিয়ে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ১৯ তম ওভারে রুবেল হোসেনের দেওয়া ২০ রানেই জয় পেয়ে যায় রশিদ খানরা।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে নির্ধারিত ২০ ওভার খেললেও ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলেন ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ দিকে আবু হায়দার রনির ব্যাটে কিছুটা সম্মানজনক স্কোর করতে পরে দলটি। ১৪ বলে ২ট ছক্কা ও এক চারে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১ রানে অপরাজিত থাকেন রনি। এর আগে দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর করেন তামিম ইকবাল।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই দলীয় দ্বিতীয় ওভারে শাপুর জাদরানের প্রথম বলেই মারতে গিয়ে রশিদ খানের ক্যাচে মাঠ ছাড়েন লিটন দাশ। ৩ বলে ১ রান করেন তিনি। আগের ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ কিছুর সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সাব্বির রহমান। কিন্তু পঞ্চম ওভারে মোহাম্মদ নবীর বলে উচিয়ে মারতে গিয়ে শেনওয়ারির ক্যাচ হন। ৯ বলে তিনটি চারে ১৩ করেন তিনি।

লিটন ও সাব্বিরে বিদায়ের পর ওপেনার তামিম ইকবালের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়েন রানের চাকা এগিয়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তবে দলীয় দশম ওভারে নবীর বলে উইকেট যেন বিলিয়ে দেন মুশি। এগিয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন তিনি। ১৮ বলে একটি চার ও সমান ছক্কায় ২২ রান করেন তিনি। পরে ৮ বলে ১৪ রান করে মাহমুদউল্লাহও বিদায় নেন। করিম জানাতের শিকার হন তিনি।

১৬তম ওভারের প্রথম বলে রশিদ খানের শিকার হন সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ৩ রান করেন তিনি। একই ওভারের চতুর্থ বলে তামিম ইকবালকে বোল্ড করেন এই তারকা। ৪৮ বলে ৫টি চারের সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৪৩ করেন তামিম। পরের বলেই মোসাদ্দেক হোসেনকে শূন্য রানে এলবির ফাঁদে ফেলে ওভার হ্যাটট্রিক করেন রশিদ। রশিদ প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৯ রান দেয়ার পর তৃতীয় ওভারে উইকেট নিতে শুরু করেন।

আফগান বোলারদের মধ্যে রশিদ ৪ ওভারে মাত্র ১২ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন। নবী ৪ ওভারে ১৯ রানে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পান শাপুর জানাত ও করিম জানাত। রশিদ খান একাই ৪ উইকেট তুলে নেন।

রশিদকে নিয়ে চিন্তা না করতে চাইলেও সেই রশিদের কাছেই ধরাশায়ী হলো বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে এই স্পিন বিস্ময়ের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে মাত্র ১৩৪ রান সংগ্রহ করতে পারে টাইগার শিবির। আর এই ছোট সংগ্রহ পার হয়ে আফগানিস্তান জিতে যায় ৬ উইকেটে। ম্যাচের পাশাপাশি তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজও হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই রানে থাকে আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদের ২৪ রান ও উসমান গনির ২১ রানে শক্ত শুরু পায় আফগানরা। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে আবু হায়দার রনির বলে আউট হয়ে ফেরেন শাহজাদ। তবে ওয়ান ডাউনে নামা সামিউল্লাহ শেনওয়ারির সংগ বেশ খানিকটা এগিয়ে নেয় রান। ব্যক্তিগত ২১ রানে রুবেলের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উসমান। মাত্র ৪ রানে আউট হয়ে ফেরেন অধিনায়ক আসগর স্ট্যানিকজাই।

তবে শেনওয়ারির ব্যাটে জয়ের বন্দরে পৌছাতে তেমন কষ্টই করতে হয়নি আফগানিস্তানকে। রান কিছুটা আটকে দিয়ে ম্যাচ নিজেদের দিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করলেও ১৯ তম ওভারে রুবেল হোসেনের দেওয়া ২০ রানেই জয় পেয়ে যায় রশিদ খানরা।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে নির্ধারিত ২০ ওভার খেললেও ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলেন ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ দিকে আবু হায়দার রনির ব্যাটে কিছুটা সম্মানজনক স্কোর করতে পরে দলটি। ১৪ বলে ২ট ছক্কা ও এক চারে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১ রানে অপরাজিত থাকেন রনি। এর আগে দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর করেন তামিম ইকবাল।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই দলীয় দ্বিতীয় ওভারে শাপুর জাদরানের প্রথম বলেই মারতে গিয়ে রশিদ খানের ক্যাচে মাঠ ছাড়েন লিটন দাশ। ৩ বলে ১ রান করেন তিনি। আগের ওভারে টানা তিনটি চার মেরে দারুণ কিছুর সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন সাব্বির রহমান। কিন্তু পঞ্চম ওভারে মোহাম্মদ নবীর বলে উচিয়ে মারতে গিয়ে শেনওয়ারির ক্যাচ হন। ৯ বলে তিনটি চারে ১৩ করেন তিনি।

লিটন ও সাব্বিরে বিদায়ের পর ওপেনার তামিম ইকবালের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়েন রানের চাকা এগিয়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তবে দলীয় দশম ওভারে নবীর বলে উইকেট যেন বিলিয়ে দেন মুশি। এগিয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন তিনি। ১৮ বলে একটি চার ও সমান ছক্কায় ২২ রান করেন তিনি। পরে ৮ বলে ১৪ রান করে মাহমুদউল্লাহও বিদায় নেন। করিম জানাতের শিকার হন তিনি।

১৬তম ওভারের প্রথম বলে রশিদ খানের শিকার হন সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ৩ রান করেন তিনি। একই ওভারের চতুর্থ বলে তামিম ইকবালকে বোল্ড করেন এই তারকা। ৪৮ বলে ৫টি চারের সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৪৩ করেন তামিম। পরের বলেই মোসাদ্দেক হোসেনকে শূন্য রানে এলবির ফাঁদে ফেলে ওভার হ্যাটট্রিক করেন রশিদ। রশিদ প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৯ রান দেয়ার পর তৃতীয় ওভারে উইকেট নিতে শুরু করেন।

আফগান বোলারদের মধ্যে রশিদ ৪ ওভারে মাত্র ১২ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন। নবী ৪ ওভারে ১৯ রানে নেন ২টি উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পান শাপুর জানাত ও করিম জানাত। রশিদ খান একাই ৪ উইকেট তুলে নেন।