কিবরিয়া আনসারী, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ : মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদে সেই মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় আজও চলছে মৃতদেহের খোজে তল্লাসি। আজ সকালে মৃতদেহের খোজে তল্লাসি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থা। আজ সকাল থেকে ভৈরব নদী তে চলছে চিরুনি তল্লাসি। চিরুনি তল্লাসিতে উদ্ধার হল আরও ৬ টি মৃতদেহ। কালকের পর থেকে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪২। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনডিআরএফ এর কর্মীরা অনুমান করছে এখনও বেশ কয়েকটি মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৬ টা থেকে দফায় দফায় চলছে তল্লাশি অভিযান। আজও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছে।


কালকে ৩৬ টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তারপর থেকেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে আত্মীয় পরিজনদের ভিড়। নিখোজ ব্যক্তিদের সুনিশ্চিত করতেই হাসপাতাল চত্বরে মানুষের ঢল। এখন পর্যন্ত ৩৫ টি মৃতদেহ শনাক্তকরণ করতে পারা গিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। বাকি ৭ টি মৃতদেহ হাসপাতালেই পড়ে রয়েছে। নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের মৃতদেহ রয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে ২১ টি মুর্শিদাবাদ জেলার। বীরভূমের ২ টি মৃতদেহ রয়েছে, নদীয়ার ১২ টি মৃতদেহ। এছাড়াও সবসময় সাহায্যের জন্য প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে হেল্পলাইন।

গতকাল ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন এবং প্রশাসন কে মৃতদেহ গুলিকে দ্রুত ময়নাতদন্ত করে তাদের মৃত সার্টিফিকেট তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মৃতদেহগুলিকে শনাক্ত করে পরিজনদের হাতে তুলে দিচ্ছেন প্রশাসনের কর্তারা। হাসপাতাল চত্বরে ডি এম, এস পি সকলেই রয়েছেন। সূত্রে খবর, যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ও ক্ষতিপূরণের টাকাও মৃতের আত্মীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। পুরো ঘটনার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও পরিবহণ সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।