বাদুড়িয়ার মানুষ সম্প্রীতির প্রশ্নে এককাট্টা

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, বাদুড়িয়া : উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে গোটা রাজ্য – খবরের কাগজ, টেলিভিশন,ভগ্রাম, শহরে ছাপানো ফ্রেক্সে এমনই প্রচার। রাজকোষ থেকে খরচের বহর আকাশচুম্বি। টাকার অভাব তখনই হয় যখন বিরোধী রাজনৈতিক দল কোন উন্নয়ন প্রকল্পে হাত দিতে উদ্যোগী হয়। শুক্রবার এমনই এক চিত্রপটে ধরা পড়ল বাদুড়িয়ার রামচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের বুরুজ গ্রামে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে চিরবিশ্বাসী পঞ্চায়েত প্রধান সিপিআই (এম)-র রবিউল হক সন্নিয়া বুরুজ শ্মশান নতুনভাবে নির্মাণের জন্য ১৭ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। স্বার্থ একটাই। তা হলো সাধারণ শবযাত্রীরা যেন মৃতদেহটি সৎকার করতে এসে বৃষ্টিতে না ভেজে এবং চিতার আগুন নিভে না যায়। হা-পিত্যেশই সার। কানা কড়িও জুটল না পঞ্চায়েতের ভাঁড়ারে। শেষমেশ উদ্যোগী হলো বামফ্রন্ট পরিচালিত বাদুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতি। সীমিত আর্থিক ক্ষমতায় থেকেও বরাদ্দ করল ৪লক্ষ টাকা।

স্থানীয় ইটভাটা থেকে ফায়ারিং লাইসেন্স ফিজ বাবদ ,পঞ্চায়েত সমিতি পরিচালিত ফেরিঘাট থেকে যে আয় হয় তা থেকেই প্রথম পর্যায়ে এই টাকা দেওয়াভহলো। নবনির্মিত শ্মশানের সূচনা করতে এসে ক্ষোভের সাথে কথাগুলি বলেনবপঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সোমা আড়তদার। এই উপলক্ষে এদিন রামচন্দ্রপুর, চণ্ডীপুর, যশাইকাটি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে হিন্দু- মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ আসেন। তাঁরা বলেন, সম্প্রতি বাদুড়িয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনা অনভিপ্রেত। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনা ভবিষ্যতে রুখতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

বয়ে যাওয়া সন্নিয়া খালের ধারে শ্মশান চত্বরে সভা হয়। সভাপতিত্ব করেন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানিক বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আন্দুল মালেক, ওমর ফারুক গণ আন্দোলনের নেতা অনিমেষ মুখার্জি, শংকর ঘোঘ, প্রাক্তন শিক্ষক অরুণ ঘোষ, সহকারী বাস্তুকার দেবাশিস মাইতি ও প্রধান রবিউল হক।