ফারাক্কা – ধুলিয়ান হয়ে হাওড়াগামী উপযুক্ত ট্রেন না থাকায় বিপাকে জনতা

0
মোঃ সাহাদাত হোসেন, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ :  মানুষের ভ্রমণ করার জন্য অত্যাবশ্যক প্রয়োজন গাড়ির। বিশেষ করে দূরের জায়গাগুলো যাওয়ার জন্য ট্রেনই উপযুক্ত মাধ্যম।মুর্শিদাবাদের মানুষ রাজ্যের রাজধানী থেকে বহুদূরে অবস্থান করছে। বহুদূরে অবস্থান করলেও জেলার যেতে হয় নানা কাজ নিয়ে রাজধানী শহরে ।  অফিস – আদালত থেকে শুরু করে উন্নত মানের চিকিৎসাকেন্দ্র সমস্ত কিছুই রয়েছে রাজধানীতে। ফলে হাজার হাজার মানুষ নিত্যদিন যাতায়াত করেন কলকাতায়। মালদা – মুর্শিদাবাদের বেশির ভাগ মানুষই যাতায়াত করেন মালদা টাউন -হাওড়া প্যাসেঞ্জার  ট্রেনে। রাজমিস্ত্রি, ব্যবসায়ী, রুগিরা এই গাড়িতে কোলকাতা যায় আর আসে । বর্তমানে তো এমনি যথেষ্ট হারে ট্রেন নেই আবার এই পরিস্থিতিতে ট্রেনটি বাতিল করে মালদার পরিবর্তে এক্সপ্রেস নাম দিয়ে কাঠিহার থেকে ছাড়া হবে বলে সুত্রের খবর। অথচ বিহার – ঝাড়খন্ডের বুক দিয়ে কাঠিহার থেকে হাওড়া যাওয়ার জন্য শত শত ট্রেন রয়েছে। আর মালদা থেকে ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর, নিমতিতা, সুজনিপাড়া হয়ে রাজমিস্ত্রিদের বিদেশ যাওয়ার একমাত্র ট্রেনটিকেই এক্সপ্রেস করে দিয়ে অন্য লাইন দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেস্টা চালানো হচ্ছে। ফলে স্বভাবতই ক্ষুব্ধ মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি এলাকার বাদিন্দারা।রেলের এই সিদ্ধান্ত এই এলাকার জনগণকে চরম বিপদে ফেলেছে।সামশেরগঞ্জের বাসুদেবপুরের এক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, এই ট্রেনের মাধ্যমেই আমরা মোটামুটি ভাবে যাতায়াত করি। ঠাসাঠাসির মধ্যেই কেউ বসে আবার অনেকে সারারাত ঝুলে হাওড়ায় গিয়ে পৌঁছায়। তবুও আমাদের কাছে এই ট্রেন সোনার ট্রেনের মতো মূল্যবান।
    সুতির আব্দুল হান্নান নামে এক যাত্রীর ক্ষোভ,  কাঠিহার থেকে ট্রেনটি ছাড়া হলে ওখান থেকেইতো বুকিং হয়ে চলে আসবে। তাহলে আমরা যাব কি করে? ভুক্তভোগী আজহারুল ইসলাম বলেন ,রেলের সিদ্ধান্তকে জানাই স্বাগত। তবে ওই ট্রেনটি রেখেই যদি কয়েকঘন্টার ব্যবধানে অন্য এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়েন তাহলে আপনাদের পদক্ষেপ হবে মানুষের জন্য সুবিধাজনক।