স্থানীয়রা জানান, সুরোজের বাবা, মা থেকেও নেই। তাঁর পাঁচ বছর বয়সে মা অন্য একজনকে বিয়ে করে চলে গিয়েছে। বাবা পাঁচবছর ধরে কেরলে কাজ করেন। ছেলে খবর কেও নেয় না। সুরোজের দেখাশোনা তার দাদিমাই করেন। দাদিমার বাড়ির কাছেই মামার বাড়ি। মাঝে মাঝে মদ খেয়ে অত্যাচার করে হানিফ।
গাওসুল আলমের অভিযোগ, মদ্যপ মামা হানিফ সেখ মদ খেয়ে মাঝে মধ্যেই ভাগ্নেকে মারধর করতো। শিশুর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গাঢ় কালো দাগ। গলায় তলপেটে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। মদ খেয়ে সামনে পেলেই সুরজকে মারধর করতো। এই ভাবে গত শুক্রবারেও বেধড়ক মারধর করে। তাকে মারধরের পর সে অশুস্থ হয়ে গেলে আজ বিকেলে তাকে ডোমকল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসারত অবস্থায় দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়। ওই সব আঘাতের কারনেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লিখিত কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত মামা হানিফ সেখ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।