ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে জনসেবা করতে চায় নদীয়া চাপড়ার কৃতিছাত্র আবীর আসমান

0

মিলটন মণ্ডল, টিডিএন বাংলা, নদীয়া: এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৬২ নম্বর পেয়ে এলাকায় প্রথম হয়েছে চাপড়ার ছেলে আবীর আসমান বিশ্বাস। বাঙালঝি রামকৃষ্ণ আশ্রম উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল আবির। এখন থেকেই সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন দেখছে চাপড়ার ছেলে আবীর আসমান বিশ্বাস।

আবিরের ছেলে বেলা চাপড়ার বৃত্তিহুদা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন পিতাস্বরপুর গ্রামে কাটলেও বর্তমানে ছেলের লেখাপড়ার জন্যে এলামনগরের বাসিন্দা, বাবা একজন ছাপাখানার কর্মী। মা শাহিনা রেজা খাতুন একজন গৃহবধূ। ছেলের এই কৃতিত্বে খুশির বন্যা বইছে পরিবারে। চাপড়ার বাঙালঝি রামকৃষ্ণ আশ্রম উচ্চবিদ্যালয়ের এই কৃতিছাত্র বাংলায় ৯২, ইংরেজিতে ৮৬, গণিতে ৯৯, ভৌতবিজ্ঞানে ৯৮, ইতিহাসে ৯২, ভূগোলে ৯৭ পেয়েছে।

আবিরের পরিবার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আবির মনোযোগ সহকারে নিয়মিত ৭-৮ পড়াশুনা করত। এছাড়াও এই কৃতিত্বের আড়ালে রয়েছে নূরুদ্দীন বিশ্বাস (প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, বেলতলা হাইমাদ্রাসা) ও কাকা মানওয়ারুল আখতার ( সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক, কালীগঞ্জ ব্লক)-এর সহযোগিতা। তিনজন গৃহশিক্ষক ছাড়াও দাদুর কাছে তালিম নিত বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে। কাকার কাছে বিজ্ঞানের বিষয়গুলি ছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলিতেও চলত নিয়মিত চর্চা।

গর্বিত কাকা বলেন, ইংরেজিতে আশানুরূপ ফল না হলেও সামগ্রিকভাবে ৬৬২ নাম্বার (৯৪.৬৭%) পাওয়ার পুরো কৃত্বিত্বটা ওরই প্রাপ্য। উল্লেখ্য আবিরের দিদি দীপা সুলতানা মাধ্যমিকে ৯৪% ও উচ্চমাধ্যমিকে ৯১% নাম্বার নিয়ে পাশ করে বর্তমানে কৃষিবিদ্যার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ভাইয়ের ফলাফলে খুশি সেও। এলাকার মুখ উজ্জ্বল করা আবির আসমান মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে পড়াশুনা করে ডাক্তার হয়ে জনসেবা করতে চাই ভবিষ্যতে।