মালদায় অনশনরতদের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিল ফ্র্যাটারনিটি  মুভমেন্ট

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, মালদা : মালদা প্রশাসনিক ভবনের অদূরেই সফল প্রার্থীদের ‘প্যানেল’ প্রকাশ ও নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘ ২৪ দিন যাবৎ অনশন করে চলেছেন ২০০৯-১০ সালের প্রাথমিক শিক্ষক পদের চাকুরী প্রার্থীগণ। উল্লেখ্য, উক্ত প্যানেল প্রকাশের পক্ষে ও নিয়োগের পক্ষে অর্থ দফতর এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশও রয়েছে। তথাপি কোন অদৃশ্য কারনে তা বাস্তবায়িত হচ্ছেনা বলে চাকুরি প্রার্থীগন অনশনের চরমতম পথ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এখনও পর্যন্ত প্রশাসন তাঁদের জন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনবোধ করেননি।

এই পরিস্থিতিতে ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য সভাপতি আরাফাত আলি হতাশা প্রকাশ করে জানান, ‘আমরা অনশনকারীগনের সমর্থনে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিতে বাধ্য হই।’ ইতিমধ্যেই চলতি মাসের ৮ তারিখে তিন দফা দাবি নিয়ে ফ্র্যাটারনিটি  মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিনিধি দল আরাফাত আলির নেতৃত্বে রাজ্যপাল কে একটি স্বারক লিপি জমা দেন। কিন্তু, তথাপি উপরমহলের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। রাজ্যপাল কে দেওয়া তিন দফা দাবিতে বলা হয়, অবিলম্বে ২০০৯-১০ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগর প্যানেল প্রকাশ করে নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ অবমাননা করা চলবেনা। অনশনকারীদের সঙ্গে প্রশাসন ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদকে আলোচনায় বসে সমাধান করতে হবে। অবিলম্বে অনশনকারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে।

রাজ্য সভাপতি আরাফাত আলি জানান যে, ‘রাজ্যপাল মহাশয়ের নিকট হইতে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা একই দাবিদাওয়া নিয়ে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে ও শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি।’ ফ্র্যাটারনিটি মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য  সম্পাদক আবু তাহের আনসারী বলেন, ‘বাংলার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই বাংলার সন্তানদের চাকরী না দিয়ে এই বিশ্ব বাংলাকে কর্মহীন বাংলায় পরিনত করেছে। আমরা আশা করি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী  অবিলম্বে উপরে উল্লেখিত দাবিগুলি বিবেচনা করবেন কারণ তাদের অনেকগুলো অমূল্য জীবন নির্ভর করছে।’ মালদা জেলা সহকারী কনভেনর আমিনুল ইসলাম জানান যে, ‘আমরা অনশনরত প্রার্থীদের সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো। যদি রাজ্য সরকার তাঁদের অনশন বা আন্দোলনকে গুরুত্ব না দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয় তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।’