আর্থিক অনটনে জোটেনি শেকল বাধা যুবতীর চিকিৎসা, বিধায়কের দ্বারস্থ পরিচারিকা মা

0

প্রশান্ত দাস, টিডিএন বাংলা, মালদা : না সে কোন জন্তু-জানোয়ার নয়। মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবতী। আর তাকে দেখতেই ভিড় জমলো আদালত চত্বরে। আজ মালদা আদালত চত্তরে এমন দৃশ্যই দেখা গেল। অসহায় মা তাকে নিয়ে যাবে চিকিৎসা করানোর জন্য বহরমপুরের মানসিক হাসপাতালে। বাধা হয়েছে আর্থিক অবস্থা। বাধ্য হয়ে তারা এলাকার বিধায়কের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুরাতন মালদার মুচিয়ার বাসিন্দা ওই যুবতীর নাম প্রিয়া বিশ্বাস। বহু বছর আগে তার বাবা মারা গিয়েছে। মা কনিকা বিশ্বাস ও ভাই বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সাথে বাড়িতে থাকে। মা লোকের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালান। ভাই  ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে।

ওই যুবতীর মা জানান, বছর পাঁচেক আগে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় মানসিক ভারসাম্য হারান মেয়ে। এরপর থেকে যতদিন গেছে তার অবস্থার অবনতি হয়েছে। বর্তমানে সে ভয়ংকর উন্মাদ। আর সেই কারণে বাধ্য হয়ে তার হাত-পা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে বাধ্য হন তারা। দিনের পর দিন ধরে চরম অমানবিক অবস্থায় জন্তু-জানোয়ারের মতো রয়েছে এই যুবতী। আর্থিক অনটনের কারণে জোটেনি চিকিৎসা। আর সেই কারণেই চিকিৎসার জন্য এবার স্থানীয় বিধায়ক এর দ্বারস্থ হয়েছেন কনিকা দেবী।

স্থানীয় বিধায়ক ভুপেন্দ্রনাথ হালদার বলেন, গোটা বিষয়টি আমি জানি। অনেকদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে রয়েছে ওই যুবতী। এখানকার হাসপাতালে তারা গিয়েছিল সেখান থেকে ওই যুবতীকে বহরমপুর মানসিক হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু বহরমপুর যেতে হলে আদালতের নির্দেশ লাগে আর সেই কারণেই তাদের আদালতে নিয়ে এসেছিলাম এবার তাদের তার চিকিৎসার জন্য তাকে বহরমপুর পাঠানো হবে।