কমিশন বাঁচতে এবার সুপ্রিমকোর্টে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি

0
জেলা আহ্বায়ক কামাল হোসেন জানান, “অসহায় মানুষের পাশে থেকে ফোরাম যে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে তা অবর্ণনীয়। ফোরাম অরাজনৈতিক ভাবে লড়াইয়ের মাধ্যমে সফল হবে।”
ফোরামের রাজ্য সভাপতি ইসরারুল হক মন্ডল বলেন, “তিনটি মাদ্রাসা কমিটির ঘৃন্য চক্রান্তের আজ এত সমস্যার সৃষ্টি, তারা হবু শিক্ষকদের জীবনের মূল্যবান চারটি বছর নষ্ট  করেছে।” আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গের  বাকি মাদ্রাসার কমিটি গুলির কাছে এই কমিটিরগুলি বিরুদ্ধে  রুখে দাঁড়ানোর আহব্বান জানান তিনি।
জেলা সভাপতি সাহারির হোসেন গালিব বলেন, “চাকুরি স্বার্থে  শুধু কমিশন প্রয়োজন নয়, সমগ্র মুসলিম সমাজের  শিক্ষার প্রয়োজনে ফোরামের  আন্দোলনকে তীব্র থেকে তীব্রতর করা দরকার।”
হরনগর বারোভেগে হাই মাদ্রাসার  প্রধানশিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, “কমিটির নিয়োগে যে  জিও মাদ্রাসা ডিএমই অফিসার তৈরি করেছিলেন তা মাদ্রাসা কর্মশালায় ক্ষোভ প্রকাশিত হয় । তিনি বলেন এক দিকে স্কুলে কমিটির ক্ষমতা কমে যাছে, অপরদিকে  মাদ্রাসার ক্ষেত্রে বিপরীতচিত্র। সুতারাং  আমাদের মাদ্রাসা কমিটি সিন্ধান্ত  নিয়েছে কমিশনের পক্ষে থেকে সুপ্রিমকোর্টে মামলায় শরিক হবে তারা।” ফোরাম কোনরূপ অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করবে না বলে মন্তব্য করেন ফোরামের রাজ্য নেতৃত্ব নাজিবুর রহমান। সমস্ত পাশ ক্যান্ডিডেটদের চাকুরি সুনিশ্চিত করার জন্য সুপ্রিমকোর্টে মামলায় শরিক হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের রাজ্য সভাপতি ইসরারুল হক মন্ডল, জেলা সভাপতি  সাহারির হোসেন গালিব, জেলা আহ্বায়ক কামাল হাসান, রাজ্য নেতৃত্ব নাজিবুর রহমান, জাকির হোসেন, জ্যোতিপ্রকাশ ঘোষ সহ জেলার অন্যান্য নেতৃত্ব সহ জেলার চাকুরি প্রার্থীগন।