সংখ্যালঘু শিক্ষা উন্নয়নে অনীহা খোদ সংখ্যালঘু শ্রেণীর নেতা মন্ত্রীদেরই: অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান

0

তোহাদ্দেশ আলী, টিডিএন বাংলা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সংখ্যালঘু শ্রেণীর কোনো বিধায়ক ও মন্ত্রীদের সরব হতে দেখা যাচ্ছে না, কারণ সংখ্যালঘু শিক্ষা উন্নয়নে অনীহা খোদ সংখ্যালঘু শ্রেণীর নেতা মন্ত্রীদেরই। রবিবার বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরাম আয়োজিত বারুইপুরে জেলার প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এক আলোচনা সভায় এভাবেই সংখ্যালঘু নেতাদের সমালোচনা করলেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুকলেসুর রহমান। তিনি আরো বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যদি তাদের অধিকার সম্পর্কে জেনে যায় তাহলে আর কারো পতাকা বহন করবে না।’


দক্ষিন চব্বিশ পরগনার জেলার আহ্বায়ক সাতুলিয়া হাই মাদ্রাসার অ্যাসিটেন্ট সুপাররেন্টডেন্ট রবিউল ইসলাম খান সভা সূচনা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডঃ মুকলেসুর রহমান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা কাইসার রসিদ ,শেরপুর রহমানিয়ার প্রধান শিক্ষক রাখাল চন্দ্র দে, সপ্তগ্রাম হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কাদের সর্দার, কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস হোসেন, বনমালিপুর মাদ্রাসার আব্দুর রাজ্জাক সহ অন্যান্য শিক্ষক সহ জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও ষষ্ঠ এসএলএসটির সফল পরীক্ষার্থীরা।

Advertisement
head_ads

উক্ত সভায় প্রধান শিক্ষকগণ কমিটির কাজকর্মের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়ে সার্ভিস কমিশনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। শেরপুর রহমানিয়ার প্রধান শিক্ষক রাখাল চন্দ্র দে বলেন, “যে সব ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষক নিয়োগ করেছে তারা শিক্ষাগত যোগ্যতাকে মান্যতা না দিয়ে নির্বাচনের মাপকাঠি ধার্য করেছে অর্থ। কমিটি শিক্ষক নিয়োগ করলে অর্থ ও পেশি শক্তি বড় হয়ে উঠবে। যা দেশ ও জাতির জন্য অকল্যান বয়ে আনবে।”

কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মহঃ ইলিয়াস বলেন, “মাদ্রাসায় পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ ও আদর্শের শিক্ষা দেওয়া হয়। ইসলামে ঘুস ও সুদ হারাম। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কমিশনই পারে স্বচ্ছতার সাথে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করতে। কমিটির দ্বারা নিযুক্ত শিক্ষকরা কোনদিন তার সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করবে না। কারণ তারা ভালো করেই জানে পড়ানোর জন্য যে যোগ্যতা দরকার তাদের তা নেই।”

head_ads