বিস্ময় বালক শাহাদাত হোসেন, মাত্র ৭মাসে কোরআনের হাফেজ!

0

সেখ সাদ্দাম হোসেন, টিডিএন বাংলা, মালদা: বিস্ময় বালকের বিরল কৃতী। হুম! বিরলই বটে। মাত্র ৭মাস ১৪দিনে সম্পূর্ণ কোরআনের হাফেজ হয়ে সকলকেই বিস্মিত করে দিয়েছে মালদার ১১বছরের এই বালক। বিস্ময় বালকের নাম শাহাদাত হোসেন। বাড়ি মালদার বামন গ্রাম সরদার পাড়াতে। ইসলাম ধর্মের ধর্ম গ্রন্থ পবিত্র কোরআন। ত্রিশ পারা(অধ্যায়) বিশিষ্ট এই পবিত্র কোরআনের নির্ভুল মুখস্থ কারীদের বলা হয় কোরআনের হাফেজ। অভিজ্ঞ হাফেজদের মতে কোরআনের হাফেজ হতে মোটামুটি তিন-চার বছর বা তার বেশিই লাগে। প্রখর মেধা শক্তি সম্পন্ন হলে তার থেকে কিছু কম সময় লাগে। কিন্তু ৬-৭মাসে হাফেজ হওয়াটা কতকটা বিরল ঘটনার মধ্যেই পরে। যা করে দেখিয়েছে মালদার বামন গ্রাম সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার এই ছোট ছাত্রটি। প্রখর মেধা ও মুখস্ত শক্তির অধিকারী না হলে মাত্র ৭মাস ১৪দিনে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন অভিজ্ঞ হাফেজেরা। পিতা কিতাবুদ্দিন সেখ সাধারণ এক কর্মচারী। কষ্টের সংসারে অনেক আশা নিয়ে ছেলেকে দিয়েছিলেন এলাকারই মাদ্রাসাতে। ছেলে অল্প দিনে হাফেজে কোরআন হওয়ায় তার বাড়িতে তৈরি হয়েছে খুশির বাতাবরণ। রবিবারই মাদ্রাসার তরফ থেকে তাঁকে পাগড়ী প্রদান করা হয়। পাগড়ী পড়ান পীরজাদা সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী। কৃতি ছাত্রের সাফল্যে খুশি মাদ্রাসার পরিচালক মন্ডলী থেকে ধরে সকল ছাত্র, শিক্ষক ও প্রতিবেশীরা। মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল্লাহ সাহেব তার এই সাফল্যে উৎফুল্ল হয়ে জানান, “আমি দুয়া চাই প্রখর মেধা সম্পন্ন এই ছেলে ভবিষ্যতে একজন বড় মাপের আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত কারি ও ইসলামের প্রচারক হয়ে উঠুক।” আর ক্ষুদে হাফেজ শাহাদত হোসেন ও চাই পরিপূর্ণ শিক্ষা গ্রহন করে সমাজে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে। ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা মুফতি সাইফুল্লাহ সিদ্দিকীও তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করে দুয়া চান।

tdn_bangla_ads