একদিন স্কুল না আসায় ছাত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

0
কিবরিয়া আনসারী, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ: একদিন স্কুল না আসায় ছাত্রীকে বেধড়ক মারধোররের অভিযোগ উঠলো প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পড়া না পারার জন্য নয়। বরং স্কুল একদিন কামাই করাই এই শাস্তি দেওয়া হয় বছর নয়ের আউলিয়া খাতুন কে। ঘটনাটি জলঙ্গী থানার নওদাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। বর্তমানে আউলিয়া আহত অবস্থায় সাদিখাঁরদিয়াড় গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীণ। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের যথাযথ শাস্তির দাবিতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহত ছাত্রীর পরিবার।
 
জানা যায়, আউলিয়া নওদাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী। কোনো কারণ বসত একদিন স্কুল কামাই করে সে। তারপরের দিন স্কুলে গেলে প্রথমেই প্রধান শিক্ষক তাকে ডেকে চুল ধরে টানা হিচড়া করে গোটা স্কুল ঘোরাই। এতেও সাদ না মেটাই লাঠি দিয়ে তাকে ব্যাপক পরিমানে মারধোর করেন তিনি। মারের চোটে ছাত্রীর শরীরে একাধিক ক্ষতের চিহ্ন দাখা গিয়েছে। এখন ওই ছাত্রী সাদিখাঁরদিয়াড় গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীণ।
 
স্থানীয় বাসিন্দা কিরন সেখ বলেন, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ মন্ডল ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের ব্যাপক পরিমানে মারধোর করে। মারের ভয়ে ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে চাই না। এই তো সে দিন এক ছেলের কানে ডাস্টার দিয়ে মেরে কান ফাটিয়ে দিয়েছে। এখন ছেলেটি আর কানে শুনতে পায়না। এই প্রথম নয় তিনি প্রায় ছেলে-মেয়েদের এই ভাবেই মারধোর করে। স্কুলে ওই শিক্ষক থাকলে আমরা ছেলে-মেয়েদের আর পাঠাবো না। না জানি কবে আমার ছেলেটার কি হয়ে যায়।
 
আহত ছাত্রীর মা সাহানা বিবি জানান, যদিও এই ব্যাপারে মেয়ে কিছুই বলেনি কাওকে। আজ স্কুলে পাঠানোর জন্য গোসল করতে নিয়ে গিয়ে দেখি সারা শরীরে লাঠি দিয়ে পেটানোর দাগ। আমি জিজ্ঞেস করলে মেয়ে বলে স্যার মেরেছে। সারা শরীর ব্যথা আর জ্বরে মেয়ের গা পুড়ে যাচ্ছে এমন ভাবে মেরেছে। ওই শিক্ষকের যথাযত শাস্তি চাই।
 
স্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ মন্ডল কে ফোন করলে তিনি ফোন ধরেন। তাকে সাংবাদিকের পরিচয় দিলে তিনি ফোন কেটে দেয়। বারং বার ফোন করলে তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। তার ফোন অফ ছিল।
 
জলঙ্গী থানার ও সি দেবাশিস সরকার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি।
head_ads