আবাস যোজনা ঘরের টাকা উধাও, চাঞ্চল্য ডোমকলে

0

কিবরিয়া আনসারী, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ: মাথা গোজার ঠাই নেই তাদের। চালার কুড়ো ঘরেই চলে জীবনযাপন। অবশেষে জানতে পেরে ঘরের জন্য আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। এক বছর পর ঘরের তালিকাই নাম আসে সুনাভান বেওয়া, জহুরা বেওয়া, সফিকুল সেখের।


নিয়ম মাফিক ঘরের এক লক্ষ দশ হাজার টাকা আসে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে। অ্যাকাউন্টের টাকা তুলতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ তিনটি পরিবারের। অ্যাকাউন্টে জিরো ব্যালেন্স দেখে হতভম্ব হয়ে যায় উপভোক্তারা। ঘটনাটি ডোমকল থানার রায়পুর ৮ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের।

সুনাভান বেওয়া, জহুরা বেওয়া, সফিকুল সেখ উপভোক্তাদের অভিযোগ, এক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘরের জন্য আবদেন করি পঞ্চায়েতে। ঘরের তালিকায় নামেও আসে আমাদের। ঘরের টাকা অ্যাকাউন্টে এসেছিল। টাকা তুলতে গিয়ে দেখি ব্যালেন্স শূর্ণ্য। জনপ্রতিনিধিরাই জালিয়াতি করে আমাদের ঘর গুলো অন্যদের নামে করে দিয়েছে। এই ভাবেই সব টাকা আত্মসাৎ করেছে তারা। জানতে পেরেই ডোমকল বিডিও অফিসে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সফিকুল সেখ বলেন, যোগ্য মানুষদের ঘর দেওয়া হচ্ছে না। পাকা বাড়ি থাকার স্বর্তেও তারাই ঘর পাচ্ছে। মাথা গোজার ঠাই নেই আমাদের। আমরাই পাচ্ছি না ঘর।


ঘরের জন্য আবেদন করি এক বছর আগে। ঘরের তালিকাই নামও এসেছিল। সেই নাম কেঁটে দিয়ে অন্যের নামে ঘর দেওয়া হয়েছে।অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল তাও উধাও। কীভাবে কে বা কারা টাকা তুলল বুঝতে পারছি না। বিডিও কে লিখিত আকারে অভিযোগ জানিয়েছি। তিনি পূর্ণ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

ডোমকলের বিডিও টি জি ভুটিয়া বলেন, লিখিত আকারে অভিযোগ পেয়েছি। কীভাবে, কে বা কারা তাদের টাকা আত্মসাৎ করেছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।