সাত মাস পরও মেলেনি সরকারি চাকরি বা পেনশন ভাতা বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি আফরাজুলের স্ত্রীর

0

সাদ্দাম হোসেন, টিডিএন বাংলা, মালদা : মালদা শহরে সানন্দা এপার্টমেন্ট ভবনে আফরাজুল খান ও চাঁচলের শাকির আলীর পরিবারের ন্যায় বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ছাত্র সংগঠন এসআইও।

৬ই ডিসেম্বর রাজস্থানে কাজ করতে গিয়ে শম্ভুলাল রেগারের হাতে নৃশংসভাবে হত্যা হন মালদার কালিয়াচকের শ্রমিক আফরাজুল খান। যার ফলে সারা দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। শুরু হয় নিন্দার ঝড়, চারিদিকে বের হয় মোমবাতি মিছিল, শম্ভুলালের ফাঁসির দাবিও ওঠে । মানবিকতার তাগিদে এগিয়ে আসে রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি।

কিন্তু দীর্ঘ সাত মাস অতিবাহিত হওয়ার পর কেমন আছে আফরাজুলের পরিবার ? শাড়ির আঁচলে চোখের জল মুছে সাংবাদিকের সামনে স্ত্রী গুলবাহার জানান, আমরা কেমন আছি, কি খাচ্ছি খোঁজটুকু নেয়না কেউ। একটা সময় যারা পাশে থাকার কথা বলেছিল তাদেরও দেখা নেই। মেলেনি কোন সরকারি সাহায্য। মিলেছে শুধু আশ্বাস।

আফরাজুলের ভাই জুয়েল শেখ বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষ ভুলে যায় সবকিছু, পড়ে থাকে স্মৃতি টুকু। গুলবাহারের বিধবা ভাতাটুকু পর্যন্ত হয়নি। মিলেনি মেয়ে হাবিবার পড়ার খরচটুকুও। এসআইওর জেলা  সভাপতি সাবির আহমেদ জানান, দেশে হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে, দলিত ও সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমবর্ধমানভাবে নির্যাতন বেড়েই চলেছে অথচ  কেন্দ্রীয় সরকার নীরব। আমরা শাকির আলীর অপরাধীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি আফরাজুলের পরিবারের ন্যায় বিচার চাইছি।

এদিন সংবাদিক সম্মিলনে উপস্থিত ছিলেন আইটা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহবুল হক, জামাআতে ইসলামী হিন্দের জেলা সভাপতি জিল্লুর রহমান,সেরাজুল ইসলাম, আনিসুর রহমান প্রমুখ।