নিপা আতঙ্কে শ্রমিকের পরিবার, ঘরে ফেরার চাহনিতে অপেক্ষায় আত্মীয়রা

0

কিবরিয়া আনসারী, টিডিএন বাংলা, ডোমকল : রুটি-রুজির টানে কেরল, বিহার, বম্বে, কলকাতা, গুজরাটে কাজ গিয়েছে ডোমকলের যুবকরা। কেউ এক বছর যাবত বিদেশে কাজ করছে, কেউ আবার সারা বছর বিদেশেই পড়ে থাকেন। পরিবারের চোখের ঘুম কেড়েছে নিপা আতঙ্ক। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে পেতে আকুতি সকলের চোখে মুখে।

কাজের তাগিদে ডোমকলের একাধিক যুবক বিদেশেই রয়েছে। আর এইসব পরিবারের আত্মীয়দের চোখের ঘুম কেড়েছে নিপা ভাইরাস। কারো সন্তান, কারো স্বামী তো কারো বাবা। অভাবের সংসারে হাঁসি ফোটাতে মাসের পর মাস থাকতে হচ্ছে বিদেশে। নিপা আতঙ্কে সব এলোমেলো হয়ে গিয়েছে পরিবারগুলিতে। মন চাইছে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরুক। অন্যদিকে রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাবে বলেও বাড়ি ফেরার আশা ছাড়তে হয়েছে তাদের। তবে ফোনে কথা বলে মোটামুটি স্বস্তিতে রয়েছে পরিবার। আবার অনেকেই উপরওয়ালার কাছে সেই দোয়াই করছে তারা যেন সুস্থ থাকে।উল্লেখ্য, ইদে ছেলেদের ঘরে ফেরার চাহনিতে অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার। ইদের আর কয়েকটি দিন সময়। আর এখন থেকেই শুরু হয়েছে পরিবারের অপেক্ষা। সারা বছর বিদেশে কর্মরত থাকলেও ইদে পরিবার পরিজনদের সাথে ইদের নামাজে অংশ নেন যুবকরা। এবারও তারা আশা করছে সকলে একসাথেই ইদের নামাজে অংশ নিতে পারবে।

শ্রমিকের বাবা ওয়াদ আলীর কথায়, এক বছর যাবৎ কর্মসূত্রে কেরালায় রয়েছে ছেলে। পরিবারের মুখে হাঁসি ফোটাতে কেরালায় কাজে করে ছেলে। নিপা ভাইরাস এর কথা শুনে একটু আতঙ্কে রয়েছি। তবে ছেলের সাথে কথা হয় ফোনে। ছেলেও সুস্থ রয়েছে। তবুও কেমন যেনো ভয়, ভয় মনে হচ্ছে। বাড়ি চলে আসতে বলেছি। আর কয়েকটি দিন কাজ করেই ঘরে ফিরবে ছেলে। ছেলেদের ঘরে ফেরার অপেক্ষাই রয়েছে বাবা, মা।

অন্যদিকে এক গৃহবধূ রুবিয়া বিবি জানান, দেশেই কাজ করেন স্বামী। রোজার মাসে কাজ না থাকায় কিছু দিনের জন্য কলকাতায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছে। বাড়িতে থাকলে ইদে ছেলে-মেয়েদের জামা, কাপড় হবে বলেই কাজে যাওয়া। স্বামী আসলে তবেই ইদের বাজার সম্পূর্ণ করবে তারা।