‘একুশ শতক: বাংলা ও বাঙালি’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্র বহরমপুর গালর্স কলেজে

0

হামিম হোসেন মণ্ডল, টিডিএন বাংলা, বহরমপুর: সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের সুতি থানার দফাহাটের সাজুরমোড়ে এএম টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের আয়োজনে দু’দিন ব্যাপি একটি আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। যার বিষয় ছিল ‘শিক্ষা ও বিশ্ব শান্তি’।

এবার, মুর্শিদাবাদে বহরমপুর গালর্স কলেজে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগীতায় দ্বি-দিবসীয় এক আন্তর্জাতিক স্তরের আলোচনাচক্রের আয়োজন করল বহরমপুর গালর্স কলেজের বাংলা বিভাগ। মঙ্গলবার শুরু হ‌ওয়া এই আলোচনাসভায় অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, আসাম থেকে আসা মূলত বাংলা বিভাগের আমন্ত্রিত অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা।


ভাষা হিসেবে বাংলার অগ্রগতি, অবস্থান, প্রসার সংক্রান্ত বিশ্লেষণ; বাঙালি জাতি সত্ত্বার অনুসন্ধানে ছিল এই গবেষণাধর্মী আলোচনা। বাংলা ও বাঙালির একুশ শতকীয় ভুবন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক উত্তাপে এবং বিশ্বায়নের সংক্রমণে আর্দ্র। বাঙালির নিজস্ব ভাষিক ও সাংস্কৃতিক অস্মিত-স্বকীয়তাকে ভুলিয়ে দিয়ে সর্বভারতীয় ও ভুবনায়িত আরোপন ঘটে চলে নিরন্তন। ব্যাকরণ, অভিধান, জীবনী, লোক-ঐতিহ্য সংগ্রহের ব্যাপক বাংলাদেশী তৎপরতা। বাংলা ভাষার গঠন, বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের রোজনামচা, কল্পবিজ্ঞান, লিটল ম্যাগাজিন বা ছোট সাহিত্য পত্রিকা, বাংলা গণমাধ্যম, লোকসংস্কৃতিচর্চা ও একুশ শতক। ইত্যাদি বিষয় উঠে আসে দু’দিনের এই আলোচনাচক্রে।


আন্তর্জাতিক এই আলোচনাচক্রে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে তাঁদের মূল্যবান বক্তব্য নিয়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মোস্তাফা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদি; আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও পারফরমিং আর্টসের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক দীপেন্দু দাস। পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপিকা সাবিত্রীনন্দ চক্রবর্তী, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক সৌমিত্র বসু এবং গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিকাশ রায়।

অনুষ্ঠানের আয়োজক উপসমিতির সভাপতি বহরমপুর বালিকা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা ডঃ হেনা সিনহা এবং আহ্বায়ক উক্ত কলেজের অধ্যাপক ডঃ মধু মিত্র, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপিকা পাপিয়া ব্যানার্জী ও অধ্যাপক বৃন্দাবন বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও।