মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, ছয় দিন পরেও ঘরে ফেরেনি গলসির তৈয়েব

0
আজিজুর রহমান, টিডিএন বাংলা, গলসি :  মাধ্যমিকের তিনটি পরীক্ষা দিয়ে বাকি গুলি আর দেওয়া হল না। অপেক্ষায় মা নাসিমা বেগম। ছয় দিন পরেও ফিরলো না ছেলে তৈয়েব। পুর্ব বর্ধমান জেলার গলসি ১ নং ব্লকের লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাইপুর গ্রামের ঘটনা। ১৫ ই মার্চ থেকে নিখোঁজ হয় তৈয়েব মল্লিক। এদিন বাড়ি থেকে ঘুরে আসি বলে সে আর ফেরেনি তার ছেলে বলে টিডিএন বাংলাকে জানান মা নাসিমা বেগম।
রামগোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবছর তৈয়েব মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।
পুরসা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার সিট পরেছিল তার ছেলের। হারিয়ে যাবার সময় তার পরনে ছিল নেভীব্লু জিন্সের প্যান্ট ও অরেঞ্জ ব্লু ঘর ঘর শার্ট। উচ্চতা পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি। বামদিকের চোখ তুলনামুলক ছোট এবং পিঠে তিল আছে বলে জানান, নাসিমা বেগম। তিনটি পরীক্ষা দেবার পর বৃহস্পতি বার আনুমানিক দুপুর আড়াইটা নাগাদ নিখোঁজ হয় বলে জানান, তৈয়ব এর নাসিমা বেগম।
তৈয়েব জন্মের পর থেকে মা ও ভাইয়ের কাছে মানুষ। অভাবের জন্য তার বাপের বাড়ি থেকেই চলত ছেলের পড়াশোনা। বর্তমানে মাধ্যমিক পরিক্ষা দিচ্ছিল তৈয়েব। সাত আট বছর পুর্বে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার স্বামী ক্ষেতমজুর সাকিবুল মল্লিক। তার পর থেকে রাইপুর গ্রামে মা ও ভাইয়ের বাড়িতে চলে আসে সে। নাসিমা তার মা সাকিলা সেখ, ছেলে ও মেয়েদের নিয়ে বহু কষ্টে দিন যাপন করতে বলে জানান তিনি।
তৈয়েব এর মামা রফিকুল সেখ জানান, ভাগ্নের মোবাইল বিকালের পর থেকে সুইচ অফ হয়ে আছে। তারা তাকে ফোনে করে খোঁজাখুজি করেছে। কিন্তু কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছে না।  তারপর তিনি তার মা এবং গ্রামের মানুষরা, আত্মিয় স্বজনদের বাড়ি অনেক খোঁজা খুজি করেন। তাতে তৈয়েবের কোন খোঁজ পাননি। সেদিন তার ব্যবহৃত সাইকেলটি গ্রামের বাসস্টান্ডে পাওয়া গেছে। সাইকেল চাবি লাগানো ছিল না।
ঠিক কি কারনে তৈয়েব নিখোঁজ হয়েছে সেটা তারা অনুমান করতে পারছেন না। বর্তমানে তারা গলসি থানায় নিখোঁজ ডাইরি করেছেন বলে জানান তিনি। পাড়া প্রতিবেশিরা জানান, তৈয়েব ছেলে হিসাবে খুব ভালো ছিল তার কোন নেশা ছিল না। সে সকলের কথা শুনে চলতো। এমন ভালো ছেলে হঠাৎ নিখোঁজ হওয়াতে তারা আতঙ্কিত।  ঘটনার তদন্ত করছে গলসি থানার পুলিশ। যোগাযোগ- তৈয়েব এর মামা রফিকুল সেখ..7363012856