সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার পড়ুয়ারাও মাধ্যমিকে, ওরাও স্বপ্ন দেখে বড় হবার

0
রেবাউল মন্ডল, টিডিএন বাংলা, গোসাবা : ওদের কেউ আসে পায়ে হেঁটে কেউ বা নদী পথে বোটে। ওদের বাবারা কেউ টানে ইঞ্জিন ভ্যান, মা ধানের জমি বা রাস্তার কাজে জন খাটে সকাল থেকে সন্ধ্যা। স্কুলে পড়ার পাশাপাশি নদীর জোয়ারের জলে জাল ফেলে ধরে চিংড়ি কাঁকড়া। আর তা দিয়েই চলে তাদের পেট।
ওদের বাবা মায়ের রোজগার সামান্যই। আয়লার পর লবনাক্ত জমিতে চাষাবাদ হয়না বললেই চলে। চাষ বলতে শুধুমাত্র ধান। ওদের বাবা মায়েরাও চায় সন্তানরা পড়াশুনা করে মানুষ হোক। শহরের অভিজাত ঘরের সন্তানদের সাথে সাথে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার ছেলে মেয়েরাও হাজারো প্রতিবন্ধকতা দূরে ঠেলে এবছর বসছে মাধ্যমিকে।
 
গোসাবা ব্লকের অন্তর্গত তারানগর যোগেন্দ্র হাই স্কুলের পরীক্ষার্থী অনির্বান রায়ের কথায়, বাবা জন খেটে আমার পড়াশুনা চালায়। মা বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে আমি বড়ো হয়ে শিক্ষক হতে চাই।
দামি দামি নোট বা সাজেশন বই কেনার সাধ্য ওদের নেই। নেই পর্যাপ্ত টিউশন গাইড। ওদের অনেকেই প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী। সুন্দরবনের অনির্বান, সৈকত, সুদীপ্ত, নয়ন, তনুশ্রী, তাপসী রাও বড়ো হয়ে কেউ মাস্টার ডাক্তার কেউ বা হতে চায় ইঞ্জিনিয়ার।
tdn_bangla_ads