মুর্শিদাবাদ জুড়ে আজ শুধু বুক ফাঁটা কান্না আর আহাজারি

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ: বাবা এই ভাবে কেন চলে গেলে! সাত সকালে বাবার মৃত মুখ দেখে এই ভাবেই নিজের মনের ভিতরে লুকানো কথা বললেন নওদার ফিরোজ সেখ। তখনও সূর্য ওঠেনি। ঘনকুয়াশা চারিদিক অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। সব কিছু বুঝে ওঠার আগেই খাদে পড়ে গেলো বাস। শনিবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার কাছে নোয়ানজুলিতে বাস উল্টে অকালে ঝরে পড়লো এক গুচ্ছ প্রাণ। আহত বহু। এই ঘটনার পর গোটা মুর্শিদাবাদ জুড়ে শুধু কান্না আর আহাজারি। শোকার্ত পরিবার হারিয়ে ফেলেছে ভাষা। প্রতিবেশীদের কেউ বলছেন, সকালের খাবার না খেয়ে চলে গেলো আবার কেউ বলছেন, কী ভালো মানুষ ছিল লোকটি।
খবর পাওয়া মাত্র পরিবারের লোকজন নিজেদের স্বজনদের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। এই খবর লেখা পর্যন্ত জানা গেছে, অনেক দেহ কবরস্থ করা হয়েছে। আবার অনেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে শেষ বিদায় দেবার জন্য।

Advertisement
head_ads

নওদার নৈমুদ্দিন সেখ। নিপাট ভালো মানুষ।তাঁর মৃত্যুর খবর পাবার পর নদিয়া থেকেও বহু মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এদিন টিডিএন বাংলার প্রতিনিধি পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন।দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ মৃত দেহ দেখতে এসেছেন। বলতে গেলে, নওদার প্রায় সকল মানুষ তাঁদের প্রিয় লোকটিকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য তৈরি আছে।
শুধু নৈমুদ্দিনকে দেখতে নয়, মুর্শিদাবাদ জুড়ে আরও আটটি দেহ পড়ে আছে। সর্বত্র দুআ চলছে। মানুষ অতীতের স্মৃতি মনে করছে।আহতের পরিবারগুলিও ছুটছে হাসপাতাল থেকে আরেক জায়গায়। সব মিলিয়ে সকালের বাস দুর্ঘটনা মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষকে দিয়েছে শুধু চোখের জল।

head_ads