কুড়িটি রোজাতেও ফলের বাজারে আগুন, মাথায় হাত সাধারণ থেকে মধ্যবিত্তের

0

কিবরিয়া আনসারী, টিডিএন বাংলা, ডোমকল: সম্পূর্ণ হল কুড়িটি রোজা। তবুও দাম কমার নাম নেই ফল থেকে নিত্য-প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের। রমযানকে উপেক্ষা করে বেড়েই চলেছে ফলের দাম। স্বাভাবিকভাবেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্য-প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি করে চলেছে মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকলে।

জানা গিয়েছে, ফলের দাম লাগাম ছাড়া ভাবে বেড়েই চলেছে। দাম বৃদ্ধি হওয়ার ফলে রোজদারদের পাতে জুটছে না মনপছন্দ ফল। এই রমযান মাসে কুড়ি তিরিশ জনকে ইফতার করানো বড়ই বিপদ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে অনেকেই। ইফতারে প্রয়োজনীয় ফল খেঁজুর, শসা, আপেল, কলা, কমলা, আঙুর, পেয়ারা, তরমুজ প্রায় সবই আকাশছোঁয়া দাম।

আব্দুল বাকি নামে এক রোজদারের কথায়, ফলের দাম আকাশছোয়া হওয়ায় ইফতারের থালায় মিলছে না পছন্দশই ফল। রোজার আগে যা দাম ছিলো তা এখন দ্বিগুণ। ২০০ টাকা কেজি আপেল। খেঁজুরের দাম আগে ছিল ৪০০ টাকা কেজি সেটা এখন ৪০০ টাকা কেজি। শসা ২০ টাকা কেজি। কলা ১০ টাকা জোড়া। সব ফলের দামীই দ্বিগুণ।

ফল বিক্রেতা আহাবুল সেখ জানান, ফলের দাম দ্বিগুণ হওয়াই ক্রেতারা মেজাজ হারিয়ে যা তা বলছে। আমরা কি করব? আমরা তো খুচরো বিক্রেতা। আমাদেরও বেশি দামে মাল কিনতে হচ্ছে। ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলের দাম বেশি হওয়াই ব্যবসায় ক্ষতিও হচ্ছে।