১০ হাজার মাদ্রাসা অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি পালন করেনি সরকার, নবান্ন অভিযান করলো আন-এডেড মাদ্রাসা শিক্ষকরা

0

নিজস্ব প্রতিনিধি, টিডিএন বাংলা, কোলকাতা : স্বীকৃতিহীন আন-এডেড মাদ্রাসা অনুমোদনের দাবীতে নবান্ন অভিযান করলো আন-এডেড মাদ্রাসা শিক্ষকদের সংগঠন ওয়েষ্টবেঙ্গল আন-এডেড মাদ্রাসা টিচার্স ওয়েলফেয়ার এস্যোসিয়েশন। বুধবার কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকারা পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা পর্ষদ থেকে নবান্নের উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু করলে পথে ধর্মতলায় রানী রাসমনিতে পুলিশ ব্যারিকেট করে মিছিল আটকায়।

সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী গিয়াসউদ্দীন মোল্লার সচিব মহাকরনে ডেপুটেশন গ্রহন করে। সমস্ত আন-এডেড মাদ্রাসাগুলিকে অবিলম্বে অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি আবেদনকৃত সমস্ত আন-এডেড মাদ্রাসাগুলিকে অবিলম্বে পরিদর্শন করতে হবে এমনই নানান দাবিতে স্বারকলিপি দেন তারা।

এদিন চার জনের প্রতিনিধি দল এই তিন দফা দাবী সম্বলিত ডেপুটেশন দেয়। এদিনের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন এর সাধারন সম্পাদক মাওঃ মহঃ কামরুজ্জামান। দীর্ঘদিন মাদ্রাসাগুলির অনুমোদন আটকে থাকায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- ‘সরকার আদোও সংখ্যালঘু উন্নয়নে আন্তরিক কিনা শুভবুদ্ধি সম্পন্নরা ভাবুন।’ তিনি আরোও বলেন, ‘মাদ্রাসা অনুমোদনের দাবী আদায়ে আন্দোলনই শেষ কথা বলবে, জনগনই শেষ কথা বলবে।’

২০১১ সালে মুখ্যমুন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ক্ষমতায় আসার পরই রাজ্যের ১০ হাজার বেসরকারী মাদ্রাসাকে সরকারী অনুমোদন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। । আন-এডেড মাদ্রাসাগুলির অনুমোদনের দাবী  আদায়ে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য ও ফুরফুরা শরীফ মোজাদ্দেদীয়া অনাথ ফাউন্ডেশনের কর্নধর পীরজ্বাদা ত্বহা সিদ্দিকি সাহেব। এদিন তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য অনুপস্থিত থাকলেও টিডিএন বাংলা কে জানান, ‘সরকারের আন্তরিকতা থাকলে ১ হাজার আন-এডেড মাদ্রাসা অনুমোদন দিক। আমি এই সংগঠনের দাবী-দাওয়ার সহমত পোষন করছি, ভবিষ্যতেও পাশে আছি।’

সংগঠনের রাজ্য সভাপতি হেদায়েতুল্লাহ খান টিডিএন বাংলাকে জানান, সমগ্র মাদ্রাসা শিক্ষকরা চায় দফতরের মন্ত্রী তথা মখ্যমুন্ত্রী এবিষয়ে অবিলম্বে বার্তা দিক। সংগঠনের পক্ষ থেকে টিডিএন বাংলাকে জানানো হয়েছে, কিছু দিনের মধ্যে মাদ্রাসা অনুমোদনের বিষয়ে সরকার কোন সদর্থক বার্তা না দিলে আগামী ২৮ শে মার্চ আইন অমান্য করা হবে।