আশা জিইয়ে লড়াইয়ে রইলেন ফেডেরার, বিদায় নিলেন জোকোভিচ-মারে

স্পোর্টস ডেস্ক, টিডিএন বাংলা : একই দিনে খসে গেল দুই তারা। অ্যান্ডি মারে ও নোভাক জোকোভিচ- দুজনেই বিদায় নিলেন উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। রাফায়েল নাদাল তো বিদায় নিয়েছিলেন আগেই। তবে এখনো টিকে আছেন রজার ফেডেরার, সেমিফাইনালে উঠে আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন আরেকটি উইম্বলডন শিরোপার।

জোকোভিচের বিদায়টা অবশ্য দুর্ভাগ্যজনক বলতেই হবে। টমাস বার্ডিচের কাছে ৭-৬ ব্যবধানে হেরে প্রথম সেটে পিছিয়ে পড়েছিলেন। পরের সেটে পিছিয়ে ছিলেন ২-০ ব্যবধানে। সেখান থেকেও ফিরে আসার সুযোগ ছিল। কিন্তু কনুইয়ের চোট আর কোর্টেই নামতে দিল না তাঁকে। বার্ডিচ উঠে গেলেন সেমিফাইনালে।

অ্যান্ডি মারে অবশ্য খেলেই হেরেছেন। এবং খুব সহজে আত্মসমর্পণও করেননি। প্রথম তিন সেটের দুইটি জিতে তো মারেই এগিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এর পরেই যুক্তরাষ্ট্রের স্যাম কোয়েরি ফিরে আসেন দুর্দান্তভাবে। শেষ দুই সেটে মারেকে দাঁড়াতেই দেননি, ম্যাচটা জিতেছেন ৩-৬, ৬-৪, ৬-৭, ৬-১, ৬-১ গেমে। তবে মারের পর জোকোভিচও হেরে যাওয়ায় নিশ্চিত হয়ে গেছে, মারেই থাকছেন এক নম্বর। গত বছরের মতো এবারও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নকে বিদায় করে নিলেন কোয়েরি।

সেই তুলনায় ফেদেরারের জয়টা হয়েছে অনেকটাই সহজে। শেষ সেটেই যা একটু লড়াই করতে পেরেছেন রাওনিচ। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ফেদেরার জিতেছেন ৬-৪, ৬-২, ৭-৬ গেমে। শেষ চারে উঠে করে ফেলেছেন আরেকটি দারুণ কীর্তিও। ১৯৭৪ সালে কেন রোজওয়ালের (৩৯ বছর) পর ফেডেরারই (৩৫ বছর) সবচেয়ে বেশি বয়সে উইম্বলডনের সেমিতে পৌঁছালেন।