আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ করলো দিনদর্পন

প্রাক্তন আই এস নুরুল হক বলেন, “সমাজের নেগেটিভ খবর আজ বেশি আসছে। দরকারে নেগেটিভ খবর করতে হবার কিন্তু আজ প্রয়োজন পজেটিভ খবর। কেননা, আজ সিনেমা, টেলিভিশনে নেতিবাচক ভাবে সব প্রচার হচ্ছে বলেই অপরাধ বাড়ছে। দেশের যেখানে যেখানে ভালো কাজ হচ্ছে তা প্রচার করা উচিত। তিনি বলেন, দেশের নোবেল জয়ীদের বেশিভাগ কলকাতার। এঁদের সম্পর্কে বেশি খবর করতে হবে। এই রাজ্যে অনেকেই সফল হয়েছেন তাঁদের প্রচারের আলোয় আনুন। এতে মানুষের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়।” প্রাক্তন পুলিশ কর্তা মসিউর রহমান বলেন, “যারা সামাজিক, রাজনৈতিক ভাবে বঞ্চিত হয়েছে তাদের কথা যেন মিডিয়ায় থাকে। আর দিশাহীন হয়ে যেন না হয়, লক্ষ্য উদ্দেশ্য যেন ঠিক থাকে। মানুষের চাহিদা, আশা আকাঙ্খা যেন দিন দর্পনে থাকে।” জামাতে ইসলামির মিডিয়া কো অর্ডিনেটর ডাঃ মসিউর রহমান বলেন, “সেকুলার হতে গিয়ে যেন মুসলিম ভাবাবেগে আঘাত লাগে এমন কোনও লেখা প্রকাশ না করি। সেকুলারইজম মানে সকলের ধর্মকে সম্মান দেওয়া। অন্য ধর্ম বা মুসলিমদের আঘাত করা নয়।”
দিনদর্পণের প্রধান পৃষ্ঠপোষক পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সাহেব বলেন, “আসল খবরটা প্রকাশ করুন। মুসলিমদের সন্ত্রাস সাজানো হয়, অথচ পরে তাঁরা নির্দোষ প্রমাণিত হলেও মিডিয়া খবর করেনা। আমরা চাই পিছিয়ে পড়া জাতির হয়ে সকলকে সম্মান জানিয়ে দিনদর্পন খবর করুক।” এদিন পত্রিকার সম্পাদক মহসিন আলি, মহিউদ্দিন, জামিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।