জামায়াতে ইসলামির সম্প্রীতি সভা থেকে ফিরেই সহিষ্ণুতার প্রচার শুরু করলেন হিন্দু পন্ডিত

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা: একটি মুসলিম সংগঠনের সম্প্রীতি সভা থেকে ফিরেই সহিষ্ণুতার প্রচার শুরু করলেন ইসকনের মহারাজ। নদিয়ার ইসকনের কোঅর্ডিনেটর জগদার্তিহা দাস  ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে

‘সহিষ্ণুতা ও আমরা’ গ্রূপ খুলে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন।

এই ব্যানারে একটি হোয়াটসআপ গ্রূপ খোলেন তিনি

গত ১২ নভেম্বর নদিয়ার করিমপুরে জামায়াতে ইসলামির ‘চাই সহিষ্ণুতা, চাই মানবীয় সংহতি’শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন ইসকনের ওই প্রতিনিধি। সেখান থেকে ফিরেই তিনি সহিষ্ণুতার প্রচার শুরু করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।ইতিমধ্যেই জেলার হিন্দু মুসলিম পন্ডিতদের নিয়ে গ্রূপ তৈরি করেছেন তিনি। কিন্তু কেন হটাৎ ‘সহিষ্ণুতা ও আমরা’ গ্রূপ? জগদার্তিহা দাস টিডিএন বাংলাকে বলছিলেন, “আমাদের মধ্যে কমিউনিকেশন খুব জরুরি।

আজ ভালো লোকেরা ঐক্যবদ্ধ নই। সেটা করতে হবে।”

ইসকনের ওই প্রতিনিধি আরও বলেন,”আমি জামায়াতে ইসলামির অনুষ্ঠানে ইসকনের প্রতিনিধিত্ব করেছি।

ভালো প্রচেষ্টা। আন্তরিকতা আমাকে প্রভাবিত করেছে। সহিষ্ণুতার প্রচেষ্টা  আরো প্রভাবিত করেছে।”

তিনি সকলকে রাজনৈতিক ফাঁদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইসকনের ওই পন্ডিতের মন্তব্য”

আপনার ‘দয়া’ আপনার দুর্বলতা হিসাবে গণ্য করা হতে পারে, তবুও দয়া ও করুণা করতে হবে।অন্যদের প্রতি আপনার সাহায্য উপেক্ষিত এবং অবহেলিত হতে পারে।তবুও অন্যকে সাহায্য করুন।”

জামায়াতে ইসলামির সভা থেকে ফিরেই ইসকনের কোঅর্ডিনেটরের এমন উদ্যোগকে কিভাবে দেখছে সংগঠনটি? জামায়াতে ইসলামি হিন্দের রাজ্য সভাপতি মুহাম্মদ নুরুদ্দিনের প্রতিক্রিয়া, “শুনে ভালো লাগলো।এখনও অনেক ভালো মানুষ আছে দেশে।এইসব ভালো মানুষদের নিয়েই আমরা একটা সুন্দর দেশ গড়ে তুলবো। আজ সহিষ্ণুতার অভাব চারিদিকে । যেমন জাত-পাতের অসহিষ্ণুতা। এমনকি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতাও বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। সমাজের পাশাপাশি রাষ্ট্রও অসহিষ্ণুতার পরিচয় দিচ্ছে। এখন প্রয়োজন সকল শান্তিকামী ও সজ্জন মানুষদের ঐক্যবদ্ধ জোট। দেশ ও সমাজের মঙ্গল কামনা করার মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারবো একটি সোনালী ভারতের দিকে।”