ভাঙড় পাওয়ারগ্রীড সংলগ্ন মাঠে ৪৮ ঘন্টা গণ-অনশণের সমাপ্ত দিনে আনন্দোলনকারীদের তীব্র প্রতিবাদ

জুলফিক্কার আলি মোল্লা, টিডিএন বাংলা, ভাঙড় : ভাঙ্গর জমি, জীবন জীবিকা বাস্তুতন্ত্রর ডাকে গণ অনশনের শেষদিন বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। ভাঙড় পাওয়ার গ্রীড আন্দোলনকারী মিরাতুন নাহার বলেন, কিছুতেই ভাঙ্গরে পাওয়ারগ্রীড রাখা যাবেনা। মুখ্যমন্ত্রী যদি পাওয়ার গ্রীড দেখতে চান তাহলে আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসুন। তিনি আরও বলেন মুখ্যমন্ত্রী উঠে যাবে আরাবুল বাহিনী যদি না থামে।

ভাঙড় আন্দোলনে শহিদ মফিজুলের বাবা শুকুর আলি খান বলেন, ‘দিদির আরাবুল বাহিনী যতই অস্ত্র বন্দুক বোমাবাজি দেখাক আমরা আমাদের আন্দোলন থেকে পিছু হঠবো না। আরাবুলের সন্ত্রাস বাহিনীরা যদি অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করে তবুও আমরা আমাদের জায়গা ছাড়বনা, তাতে আরো দশটি শহিদ হয় হবে।’

অলীক চক্রবতী বলেন, যে আন্দোলনকারীরা মিথ্যা মামলায় জেলে ছিলো তারা এই সামান্য আনন্দোলনের চাপে জেল থেকে বেড়িয়ে এসেছে আর যে সব আন্দোলনকারী এখনো জেলে আছে তারাও বেড়িয়ে আসবে সে দিন বেশী দূরে নেই।

ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইণ্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গ নেতা শিক্ষক জালালউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবার মিছিল হবে মহা – মিছিল ভাঙ্গর চলো। সেই দিন কতো গুন্ডা সন্ত্রাস বাহিনী আছে দেখা যাবে আমাদের এই লড়াই হবে সত্যেকে জয় করবার। এদিন আরও অনেকেই বক্তব্য রাখেন। ৪৮ ঘন্টা পর অনশন কারীরা অনশন ভঙ্গ করেন। অনশনে দেখা গেছে এক ৯০ বছরের বৃদ্ধ মহিলাকেও। তিনি বলেন, ‘আমরা সকলে এক সৃষ্টিকর্তার মানুষ আমরা কেন খুনোখুনি করবো।’