ভাঙড় আন্দোলনের ৯ জন গ্রামবাসী মুক্তি পেল, সি আই ডি কে ভৎর্সনা বারুইপুর আদালতের

ফারুক মোল্লা, টিডিএন বাংলা, ভাঙড় : রাষ্ট্রদ্রোহী (ইউএপিএ), অস্ত্র আইন প্রয়োগ করেও ভাঙড়ের আন্দোলন কারিদের জেলে বন্দি করে রাখতে ব্যর্থ প্রশাসন। উপরন্তু বিচারকের কাছে তিরস্কৃত হলেন সিআইডির কর্তারা। এই জামিনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে পড়েন জমি আন্দোলন কারিরা।
শনিবার বারুইপুর মহাকুমা আদালতের অতিরিক্ত জুডিশিয়াল বিচারক জে শৈলেন্দ্র সিং এর এজলাসে ভাঙড় কান্ডে ধৃতদের জামিনের শুনানি শুরু হয়। বিচার ৮ জন গ্রামবাসী কে ব্যাক্তিগত ৫০০০ হাজার টাকার বণ্ড এবং শর্ত সাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করে। জামিনে মুক্ত গ্রামবাসীরা আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত কাশীপুর থানা এলাকায় ঢুকতে পারবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।এর পাশাপাশি এদিন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পান ভাঙড় আন্দোলনের অন্যতম নেতা আহাদ আলি। তাঁকে আনতে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে ছুটে যান গণ আন্দোলন এর নেতা নেত্রীরা।
জমি আন্দোলন এর নেতা মির্জা হাসান বলেন, “অনৈতিক ভাবে এদের আটকে রাখা হয়েছিল তা আজ রায়ে প্রমান হল, সি আই ডি কে ও ভৎর্সনা করেছে আদালত। এই রায়ে আমরা খুশি।” তিনি আরও বলেন, ” খুব শীঘ্রই বাকি গ্রামবাসীরা মুক্তি পাবে এছাড়া শর্মিষ্ঠা চৌধুরী, প্রদীপ সিং ঠাকুর, শঙ্কর দাস, কুশল দেবনাথ, সুনীল পাল সহ কালু শেখ মুক্তি পাবে।”
এদিন যে ৮ জন মুক্তি পেল তাদের নাম মহম্মদ আজিজুল ইসলাম, আব্দুল রউফ মোল্লা, চিরঞ্জিত কর্মকার, আব্দুস সামাদ, মুন্সি হাসান, সাবিরুল মোল্লা, আব্দুল্লা মোল্লা, সাহানাজ মোল্লা। এরা প্রত্যেকে টোনা পদ্মপুকুর, উত্তর গাজিপুর এলাকার বাসিন্দা।
আইনজীবী সোমনাথ মিস্ত্রি বলেন, বিনা দোষে ইউএপিএ ধারা দিয়ে ১৫০ দিন আটকে রাখার জন্য সিআইডির তদন্ত কারি অফিসার কে তীব্র ভৎর্সনা করেন বিচারক।