তিন তালাক সমস্যা নয়,নোবেল জয়ী অমর্ত্য সেনের সংস্থার রিপোর্ট

তিন তালাক নয়,বিধবা সমস্যাই ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে মুসলিম মহিলাদের মধ্যে”-অমর্ত্য সেনের সংস্থার রিপোর্ট

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : তালাক নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে।এরই মাঝে টাইমস অফ ইন্ডিয়া একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে অমর্ত্য সেনের সংস্থার রিপোর্ট তুলে ধরা হয়েছে।নোবেল জয়ী অমর্ত্য সেনের প্রতিষ্ঠিত প্রতীচী ইনস্টিটিউশন ও আরো কয়েকটি
প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টে এটাই উঠে এসেছে তালাক কোনও সমস্যা নয়।
প্রতীচী,অ্যাসোসিয়েশন স্নাপ এবং গাইডেন্স গিল্ড একটি কমিটি গঠন করে।
২০১৪ সালের গঠিত এই কমিটি ৩২৫ টি গ্রাম ও ৭৫ টি পৌরসভার ওয়ার্ডের সমীক্ষা নিয়ে রিপোর্টি প্রকাশ করেছে।
সমীক্ষা অনুযায়ী, শুধুমাত্র ০.৬% মহিলা তালাকপ্রাপ্ত, আর ০.৭% বিবাহ-বিচ্ছিন্না।
সমীক্ষা কমিটির সাথে যুক্ত অ্যাসোসিয়েশন স্নাপ এবং গাইডেন্স গিল্ড, যারা ৮০০০ পরিবারের তথ্য নিয়েছেন, যার মধ্যে ৬৫০০ টি গ্রামীন এবং ১৫০০ টি শহরের পরিবার রয়েছে।
কমিটির সাথে যুক্ত জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “এটার প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল মুসলিম বাঙালীদের আর্থ-সামাজিক চিত্রটা তুলে আনা”। তিনি আরও বলেন, ”
২০০৭ এ সাচার কমিটির রিপোর্ট আমাদের এই সমীক্ষাই অনুপ্রেরনা দিয়েছে। কিন্তু তখন আমরা পুরোনা তথ্যর জন্য সিদ্ধান্তে আসতে পারছিলাম না। তারপর নতুন বডি তৈরি হয় ২০১৪ সালে।”  সমীক্ষকদের ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী, ৮.২% মহিলা ডিভোর্সী, বিবাহ-বিচ্ছিন্না ছিলেন। যেখানে বাংলা ন্যাশনাল গড়ের উপরে রয়েছে, ৯.৬%। পরবর্তী সমীক্ষা যেটা ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বররে হয় তাতে দেখা যায়,প্রায় ৮% মুসলিম মহিলা যাদের বয়স ১৫-৪৯ বছর, তারা বিধবা, যেখানে তালাকপ্রাপ্ত শুধুমাত্র ১.৩% মহিলা।
সমীক্ষার চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে, পশ্চিমবঙ্গের তিন মুসলিম প্রধান জেলা মালদা, মুর্শিদাবাদ,উ:দিনাজপুরে তালাকের মাত্রা অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক কম। মালদায় ০.৭ এবং মুর্শিদাবাদে ১.৮ শতাংশ। যে সংখ্যাটি মেদিনীপুর, বীরভুমে অনেক বেশি।
#টিডিএন বাংলা