পাওয়ার গ্রিড অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অনশন আন্দোলন শুরু করল ভাঙড়ের জমি আন্দোলনকারীরা

জুলফিক্কার আলি মোল্লা, টিডিএন বাংলা ভাঙড় : “এ মাটি কৃষক আন্দোলন এর দুর্জয় ঘাঁটি, সিঙ্গুর – নন্দীগ্রাম – ভাঙড় তাঁরই প্রমাণ। কৃষকের রক্তে রাঙানো আন্দোলন শাসকের ভিত নড়ে যাবে। বাংলার মাটিতে নতুন সূর্য্যের উদয় হবে।” ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড বিরোধী জমি আন্দোলন কারি দের অনশন কর্মসূচীর সূচনা লগ্নে কবি মন্দাক্রান্তা সেন তাঁর কবিতার মধ্য দিয়ে এভাবেই শাসকের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন। কবি সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সহ গণ আন্দোলন এর নেতা নেত্রীদের উপস্থিতিতে ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অনশন আন্দোলন প্রথম দিনেই রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ নজর কাড়ল।
উল্লেখ্য, ভাঙড়ে বিদ্যুৎ এর সাব ষ্টেশন অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, শান্তিপূর্ণ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধানের দাবিতে শুক্রবার বিকাল থেকে গণ অনশন কর্মসূচি শুরু করল ভাঙড়ের জমি আন্দোলন কারিরা।বহু আন্দোলন সংগ্রাম, হরতাল এর পর অনশন আন্দোলন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিনের এই কর্মসূচীর সূচনা করে কবি মন্দাক্রান্তা সেন বলেন, “কৃষকের প্রতিবাদ শাসকের ভিত নড়ে যাবে।” এর পাশাপাশি বিশিষ্ট আইনজীবী ভারতী মুৎসুন্দি বলেন, “এই অনশন আন্দোলন কে মর্যাদা দিয়ে কৃষকের কাছে মাথা নত করতে হবে শাসক কে, না হলে সরকারের বিপর্যয় অনিবার্য।”
শুক্রবার বিকালে চারটে থেকে পাওয়া গ্রিড এর ঢিল ছোড়া দূরত্বে মাছিভাঙা গ্রামের মুখে রীতিমত মঞ্চ তৈরি করে অনশন কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট আইনজীবী ভারতী মুৎসুন্দি, ওয়েলফেয়ার পাটির রাজ্য নেতা শিক্ষাক জালাল উদ্দিন আহমেদ, সেভ ডেমোক্রেসির চঞ্চল চক্রবর্তী, ভাঙড় সংহতি মঞ্চের অনুরাধা দেব, বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক অরুণাভ গাঙ্গুলি, সিপিআই এমএল রেড ষ্টার এর নেতা মানস চক্রবর্তী। এছাড়া মহারাষ্ট্রের পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলন এর নেতা অশোক অঞ্জলি, রাজু দাদুরা মহারাষ্ট্র থেকে ভাঙড়ে আসেন ভাঙ্গড়ের আন্দোলনের সংহতি জানাতে।
এদিনের এই অনশন কর্মসূচীতে গ্রামের কৃষক আন্দোলন কারি দের পাশাপাশি গ্রামের মহিলা, শিশু সহ গণ আন্দোলন এর নেতা নেত্রীরা অনশন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন। এদিন প্রায় ৫০ জন প্রতীকী অনশন শুরু করে।⁠⁠⁠⁠