তিয়াষা গুপ্ত, টিডিএন বাংলা: আয়োজনের কমতি নেই। ট্রেন ভাড়া করে কর্মী আনা হল। ব্রিগেডের মাঠ মুখ ঢেকেছে ছাউনিতে। এলাহী মোদীর কাট আউট। কর্মী সমর্থদের বসার জন্য ব্রিগেডে চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিলিগুড়িতেও একই আয়োজন। বিরোধীরা বলছে, দাঁড়িয়ে বা বসে কোনো একটা নির্দিষ্ট এলাকায় যত মানুষ হাজির হতে পারেন, চেয়ারের ব্যবস্থা থাকলে অবশ্যই সেখানে তত বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না।

ব্রিগেডে সেভাবে ভিড় হবে না আঁচ করেই এই চেয়ারের আয়োজন বলে মনে করছে বিরোধীরা। বিজেপি অবশ্য বলছে, কর্মী-সমর্থদরে সুবিধা করে দিতেই এই আয়োজন। প্রশ্ন হল, এর আগে বহু ব্রিগেডে সমাবেশ লেখা হয়ে গেছে ইতিহাসের পাতায়। কোনো দিন ব্রিগেড ছাউনিতে মুখ ঢাকেনি। তারওপর ব্রিগেডে ক্যামেরা প্যান করে সংবাদ মাধ্যম সামগ্রিক ভিড়ের যে ছবি অতীতে তুলে ধরেছে, তাতে কোথাও উপস্থিত জনতা চেয়ারে বসে নেই।
কর্মী সমর্থদের কথা বিজেপি ভাবছে, এই যুক্তি মন্দ নয়। কিন্তু এর বাইরে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, ভিড় হবে না আঁচ করেই এই আয়োজন! শিলিগুড়িও বাদ যায়নি চেয়ার সজ্জা থেকে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় যাতে সামগ্রিকভাবে মাঠ ভরাটের ছবি ধরা পড়ে, তাই কর্মী সমর্থকদের জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, দাবি বিরোধীদের।

কিছুদিন আগেই ব্রিগেডে সভা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর বামেদের লালে লাল ব্রিগেড। সবমিলিয়ে যে ভিরোমিটারের ছবি তৃণমূল ও বামেরা তুলে ধরেছিল, তা অবশ্যই বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ। কারণ বিজেপি সভা করছে ভরা ভোটের মরসুমে। ফলে বিপুল জনসমাগম ও জন উন্মাদনা দেখানোর দায় রয়েছে বিজেপির। না হলে ভোটের বাক্সে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই কি এই আয়োজন! তা চেয়ার হোক কিংবা ছাউনি!