টিডিএন বাংলাতে মুহাম্মদ হাফিজুর লেখেন,”মায়ানমার কে এক ঘরে করে দেওয়া,যাতে বাকি পৃথিবী সমস্ত রকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ।”
সফিকুল গোলদার মন্তব্য করেন,”১)রোহিঙ্গাদেরকে নাগরিক হিসাবে স্বীকৃতি
২)মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে হবে l এবং বৌদ্ধদের অপকর্মের নিন্দা জানাতে হবেl
৩)বৌদ্ধ সন্ত্রাসী ও ঐদেশের শাষকদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে
৪) “সূচি”কে বয়কটের ডাক দিতে হবে”
কাউসার আহমেদ সুজনের মতে,”এই মুহুর্তে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উচিত মায়ানমারে নির্যাতিত মুসলির রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো।মুসলিম রোহিঙ্গারা শতশত বছর ধরে মায়ানমারে নির্যাতিত হয়ে আসছে।মায়ানমারে শতশত বছর বসবাস করে আসা এই রোহিঙ্গাদের নেই কোন নাগরিকত্ব।ওআইসি মুসলিম বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক মায়ানমারকে চাপদিতে হবে যাতে মায়ানমার রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা,দমন নিপীড়ন,নারি নিযার্তন বন্দ করে।মায়ানমারে মুসলিম রোহিঙ্গাদের নাগরিগত্ব দেওয়া হয়।মুসলিম রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য রোহিঙ্গা সুরহ্মা আইন করা হয়।একজন শান্তিতে নোবেল জয় সুচির দেশে শান্তি নিরাপত্তা বযায় রাখতে না পারা,উগ্রতাকে উসকে দিয়ে শতশত মানুষ হত্যা,নিযার্তন অপরাধের দরুন সুচির শান্তি নোবেল পুরস্কার বাতিল করা।নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গাদের যত সম্ভব সাহায্য সহযোগিতা দেওয়া।জাতিসঙ্গ থেকে মায়ানমারে একটি পর্যবেক্ষন দল পাঠানো হক।প্রয়োজনে শান্তি মিশন থেকে মায়ানমারে সেনা পাঠানো হোক।” আবার আতাউর রহমান রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার দাবি তুলেছেন।নুরুল কবির  লেখেন,”একটাই সমাধান রোহিঙ্গাদেরকে নিজেদের অধিকার আদায়ে যুদ্ধ করতে হবে।”আবু জাহিদ হালদারের মত,”আরাকানের ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি বার্মি রাজা বুদা পাওয়া কর্তৃক ১৭৮৪  সালে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আগে পর্যন্ত আরাকান স্বাধীন ছিল। ১৮২৪ সালে বৃটিশ বার্মা যুদ্ধে আরাকান বৃটিশ ভারতের অন্তর ভুক্ত হয়।কিন্তু ১৯৪০ সালে মায়ানমার স্বাধীনতা লাভের সময় বৃটেন আরাকানের সার্বভৌমত্ব রেঙ্গুনের কাছে ন্যস্ত করে। জাতি সঙ্ঘের ৬ষ্ঠ প্রস্তাব মোতাবেগ আরাকানের সার্বভৌমত্ব বার্মা ইউনিয়নের কাছে ন্যাস্ত করা ছিল অবৈধ।১৯৪৮ সালে মায়ানমার আরাকানকে স্বায়ত্বশাসন প্রদান করে।১৯৬২ সালে জান্তা সরকার স্বায়ত্ব সাসন প্রত্যাহার করে।এর পরথেকে চলে ভয়া বহ নিপীড়ন,অত্যাচার,দেশ ত্যাগে বাধ্য করা।  আরাকানকে আবার স্বায়ত্ব সাসন ফিরিয়ে দেওয়ান জন্য সারা বিশ্বকে চাপ দিতে হবে তবেই সমাধান হবে।”শরিফুল আলম আবার লিখেছেন,”আরাকানে মানবিকতা আজ লুণ্ঠিত। বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকার থেকে আজ রোহিঙ্গারা বঞ্চিত। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তারা আজ দেশত্যাগ করতে বাধ্য হবে এটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাই আন্তর্জাতিক আসরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচারের বর্ণনা তুলে ধরে মিয়ানমারের ওপর ‘চাপ’ অব্যাহত রাখতে হবে। মুসলিম দেশগুলিকে একসাথে প্রতিবাদ করা এবং জাতিসংঘর সদাথক ভূমিকা পালন করা উচিৎ।”মুহাম্মাদ ঘরির মন্তব্য,”এই মুহুর্তে রাষ্ট্রসংঘের নেতৃত্বে ত্রান ও শান্তরক্ষী বাহিনী রাইখ্যানে পাঠানোর জন্য মুসলিম রাষ্ট্র গুলো ঐক্যমত্য ভিত্তিতে রাষ্ট্রসংঘের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করুক।”