পাঠকের মতামত, টিডিএন বাংলা : ছোটো বেলায় যখন বাংলা পড়তে শিখলাম তখন গুরুজনদের নির্দেশে, পড়াটাকে আরও সাবলীল করার জন্য সংবাদপত্র পড়তে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে আমি হয়ে উঠলাম সংবাদপত্রের একজন নিয়মিত পাঠক। ভালবেসে ফেললাম সংবাদপত্রের লেখা এবং লেখক উভয়কেই। তখন থেকে মনে আশা জাগলো যে বড়ো হয়ে আমিও এরকম সংবাদ পত্রের  লেখক হবো। কিন্ত নিন্মবিত্ত পরিবারে একজনের স্বল্প আয়ের সরু সাঁকোর উপর ভর করে জীবন বৈতরণী হয়ত কোনোভাবে পার করা যায় কিন্তু স্বপ্ন কে বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয় না। তাই আমার মনের সুপ্ত বাসনা পারিপার্শ্বিক চাপে পড়ে ক্রমেই লুপ্ত হতে বসে। সাংবাদিক হওয়ার আশা যখন প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম ঠিক তখনই আমাকে সাংবাদিকতা শেখানোর জন্যই যেন ফুরফুরার ঐতিহাসিক ঈশালে সওয়াবে খবর সংগ্রহ করতে ফুরফুরাতে এলেন মোকতার স্যার। বন্ধু আব্দুর রহিমের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হয় টিডিএন বাংলার বাঙলার সম্পাদকের সাথে। সারাদিনের পরিশ্রান্ত শরীর নিয়েও আমাদের সাথে অনেক সময় ধরে কথা বললেন তিনি। তাঁর সাথে কথা বলার পর থেকেই আমার মনের লুপ্তপ্রায় অতীত বাসনাটি আবার জলন্ত আগ্নেগিরির  মতো জেগে ওঠে। তিনি তার অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। অনিবার্য কারন বসত যোগাযোগ করা না হয়ে উঠলেও সাংবাদিক হবার মনকামনা একটুও দমেনি। তাই যখন শুনলাম টিডিএন বাংলার এক দিনের কর্মশালার কথা তখনই ফোন করে নাম নথিভুক্ত করি এবং নির্দিষ্ট দিনে যথাসময়ে উপস্তিত হই। দিনের শেষে বুঝতে পারলাম টিডিএন বাংলা যার পাশে এসে দাঁড়াবে, তার মনে যদি সাংবাদিক হওয়ার একটুও আশা থাকে সে সফল হবেই।
আমার মনের লুপ্তপ্রায় অতীত বাসনাটিকে পুনরায় জাগ্রত করার কারিগর মোকতার স্যার ও টিম টিডিএন বাংলাকে ধন্যবাদ দিয়ে আর ছোটো করতে চায় না।

সেখ সাদ্দাম হোসেন, ফুরফুরা।