সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস, টিডিএন বাংলা: এন আর সি তে আগে ঘোষিত ১৫ টি নথির ৫ টি নথি বাদ দেবার চক্রান্ত ও চেষ্টা হয়েছিল। সুপ্রিমকোর্টও ৫ নথি বাদ দেবার পক্ষেই ছিল, তাই তা স্থগিত করে দিয়েছিল। জয়েন্ট একশন কমিটি এবং মুসলমানদের দুটি সংগঠনের চেষ্টায় সুপ্রিমকোর্ট বাধ্য হলো ওই ৫ টি নথির কার্যকরীতা মেনে নিতে।

কী সেই ৫টি নথি? নথিগুলি হলো — বর্ডার স্লিপ, রিফিউজি রেজিস্ট্রেশন স্লিপ, উদ্বাস্তু ক্যাম্পে দেওয়া নাগরিক সার্টিফিকেট, রেশন কার্ড, আর ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ভোটার তালিকা।

নথিগুলি দেখে বোঝা যায় যে, এর বেশিরভাগই দেশান্তরিত হিন্দু উদ্বাস্তুদের নথি। বি জে পি সরকারের মনোনীত ও প্রিয় কর্তা প্রতীক হাজেলাকে দিয়ে সুপ্রিমকোর্টে লিখিত আবেদন জানিয়ে কার্যত বি জে পি চেয়েছিল হিন্দু উদ্বাস্তুদের সর্বনাশ করতে। দুটো মুসলমান সংগঠন ও জয়েন্ট একশন কমিটির চেষ্টায় তাদের চক্রান্ত রুখে দেওয়া গেছে।

ত্রিপুরায় এন আর সি করার জন্য সুপ্রিমকোর্টে ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তুদের জন্য কিছু গর্জন শোনা যাচ্ছে ঠিকই; কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা শরতের মেঘের হাকডাক! কোন রাজনৈতিক দল কোন কাজের কথা বলেনি, অবস্থান স্পষ্ট করেনি। এটা বিপদের ইঙ্গিত! এন আর সি না চাইলে নাগরিকত্ব আইনের ১৪এ ধারার বিলোপ চাইতে হবে। উদ্বাস্তুদের রক্ষা করতে হলে নাগরিকত্ব আইনের সংশোধন চাইতে হবে। — কোন দলের মুখে সেকথা এখনো শোনা যায়নি। আশ্রয় দেওয়া কোন সমাধান নয়, তারা শরণার্থী হয়ে থাকতে চান না, নাগরিকত্ব চান।

Not available