সুরাইয়া খাতুন, টিডিএন বাংলা : আজ ১৫ই অক্টোবর। আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস। ১৯৯৫ সালে বেইজিং এ আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে ১৫ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক স্বীকৃতি পায়। আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার একটা বড়ো অংশই হল নারী। আধুনিক নারীরা এখন ঘর ও বাইরের উভয় কাজই সমান ভাবে সামলাচ্ছে। তারা প্রমাণ করছে, যে রাঁধে সে চুল ও বাঁধে।


কিন্তু সমাজে তাদের অবস্থান পাল্টালেও তাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির ও আচরণের খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না। তাই আজও নারীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও বৈষম্য স্বীকার হচ্ছে। গৃহস্থালী কাজসহ গ্রামীণ নারীরা  কৃষিকাজের সাথে সাথে শহরে পরিচারিকার কাজের সাথে যুক্ত। গৃহস্থালী কাজ ও নারীদের কৃষিকাজে অবদানের মূল্যায়ন করা হয় না। নারীর জন্যই একটা সংসার সুষ্ঠভাবে চলে।

সংসারে নারী আছে বলেই দিনের শেষে ঘরে ফিরে ক্লান্ত পুরুষ সুখ ও শান্তি খুঁজে পায়। তাকে ঘরের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে হয় না; নিশ্চিন্তে থাকতে পারে। নারীর গৃহস্থালী কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে নারীর প্রতি যে বৈষম্য এবং নির্যাতন হয় তার পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে। তাই সমাজ ও পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কাছে অনুরোধ, মা ও স্ত্রীর গৃহস্থালির কাজকে স্বীকৃতি দিন। যা আপনি সারাদিন বাইরে করেন তার তুলনায় সেসব কাজ মোটেও কম না। জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান অস্বীকার করা যায় না। তাই নারীকে পেছনে না রেখে সাথে নিয়ে চলুন। সম্মান দিন, সম্মান নিন।

Not available