টিডিএন বাংলা ডেস্ক: এবারও হোমিওপ্যাথি জয়েন্ট হবে রাজ্যস্তরে। সর্বভারতীয় স্তরে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। শুধু হোমিওপ্যাথি নয়, ইউনানী, আয়ুর্বেদ পঠনপাঠনের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবারও রাজ্যস্তরেই হবে। হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদ, ইউনানী পঠনপাঠনের প্রবেশিকা পরীক্ষা সর্বভারতীয় স্তরে হওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনটি মেডিক্যাল পঠনপাঠনের প্রবেশিকা পরীক্ষা এবার রাজ্যস্তরে হবে বলে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের পর রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণদপ্তরের অধীন আয়ুষ হোমিওপ্যাথি, ইউনানী ও আয়ুর্বেদ পঠনপাঠনের ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

মেডিক্যাল জয়েন্ট সর্বভারতীয় হওয়ার পর, হোমিওপ্যাথি, ইউনানী ও আয়ুর্বেদ পঠনপাঠনের প্রবেশিকা পরীক্ষাও সর্বভারতীয় স্তরে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রক হোমিওপ্যাথি, ইউনানী ও আয়ুর্বেদ পঠনপাঠনের প্রবেশিকা পরীক্ষার ভার সিবিএসসি বোর্ডকে দেয়। আয়ুষ মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা করে পাঁচটি রাজ্যের বেসরকারি হোমিওপ্যাথি কলেজগুলি। সেই মামলায় ৫টি রাজ্য জেতে এবং ওই রাজ্যগুলি এবছর হোমিওপ্যাথি প্রবেশিকা নিতে পারবে বলে আদালত জানায়। একইভাবে রাজ্যেরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুর্বেদ কলেজ সর্বভারতীয় জয়েন্টের বিরোধিতা করে মামলা করে। সেই মামলার রায় কলকাতা হাইকোর্ট চলতি বছরে হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুর্বেদ পরীক্ষা রাজ্য নিতে পারবে বলে জানায়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণদপ্তরের অধীন ‘আয়ুষ’ হোমিওপ্যাথি জয়েন্টের অন্যতম নিয়ামক সংস্থা। পরীক্ষা নেয় রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। এই রাজ্যে সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত হোমিওপ্যাথি কলেজের সংখ্যা ১১টি। প্রতিটি কলেজে ৫০টি করে আসন রয়েছে। সব মিলিয়ে হোমিওপ্যাথি জয়েন্টে আসন সংখ্যা ৫৫০টি। এছাড়াও রাজ্যে একটি কেন্দ্রীয় সরকারের হোমিওপ্যাথি কলেজ রয়েছে। তার আসন সংখ্যা ১০০। তবে এই কেন্দ্রীয় সংস্থার পরীক্ষা আলাদা হয়। এরসঙ্গে হোমিওপ্যাথি জয়েন্টের কোনও সম্পর্ক নেই। রাজ্য ও কেন্দ্রীয়ভাবে রাজ্যে হোমিওপ্যাথি পঠনপাঠন বিএইচএমএস’র আসন সংখ্যা ৬৫০টি।