টিডিএন বাংলা ডেস্ক : জামিন পেলেন না  ভাইজান। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় যোধপুর সেশন কোর্টে সলমনের জামিনের শুনানি একদিন পিছিয়ে গেল। শুক্রবার নয়, জামিনের ফয়সলা হবে শনিবার।
বৃহস্পতিবার আদালত ১৯৯৮ সালের দুটি হরিন হত্যা মামলায় সলমনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে বৃহস্পতিবার রাত কাটে সলমনের। সলমনের সাজার শুনানির পরপরই তাঁর আইনজীবী এইচএম সরস্বত সলমনের জামিনের আরজি জানান। তারই শুনানি হওয়ার কথা ছিল আজ। কিন্তু আজও শুনানি হল না। ফলে আগামিকাল ফের আবেদন জানাবেন সলমনের আইনজীবী।
গতকাল আদালত তাদের নির্দেশে জানায়, সলমনের মতো রোল মডেলদের নিজেদের ভাবমূর্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁকে অনুসরণ করেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব কুমার খাতরি সলমনকে দু’টি হরিণ হত্যায় অভিযুক্ত করেন। ২০ বছর পর এই মামলার শুনানিকে ঘিরে আদালত চত্বরে তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়।
আজও সলমনের জামিনের আবেদনের সময় আদালতে প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দুঃসংবাদ এল খানিকক্ষণ পরেই। যোধপুর আদালতে সওয়াল-জবাব শুরু হয়। সলমনের আইনজীবী তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করলেও আদালত ওই শুনানি শনিবারের জন্য সংরক্ষিত করে দেয়। শনিবার সকাল ১০.৩০ মিনিটে ফের সলমনের জামিনের শুনানি হবে। সলমনের আইনজীবী মহেশ ভোরা আজ আদালত চত্বরে জানান, তাঁকে নাকি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ করে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে অজ্ঞাতপরিচয়ের দুষ্কৃতীরা।
অন্যদিকে, সলমনের শাস্তির প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দু’ভাগ বলিউড। কেউ কেউ বলছেন, দেরিতে পেলেও এই বিচার বুঝিয়ে দিল, ভারতে এখনও আইনের সুশাসন রয়েছে। আবার সেলিব্রিটিদের একাংশের বক্তব্য, সলমনের এতটা শাস্তি না হলেও চলত। সলমনকে সেলিব্রিটি হওয়ার মাশুল দিতে হচ্ছে। সকালে রিল লাইফের ‘সুলতান’-এর সঙ্গে দেখা করতে আসেন তাঁর আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা। সলমনের শাস্তির বিরুদ্ধে সরব হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রী, ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতারও।