বৃষ্টির শ্রষ্টা

একরামূল মোল্লা

মেঘের কাছে প্রশ্ন রাখি বৃষ্টি দেবে কিনা ?

মিষ্টি হেসে বল্ল সে যে আমি যে কেও না ;

প্রখর তাপে ঝরবে যে ঘাম, কমবেআমার বোঝা।

সূর্য কে তাই একটু বোঝাও। আসুক কাছে আমার।

সূর্য মামা রক্ত মুখে  ভীষণ আহত।জন্মথেকে জ্বলছে তবো

বোবা চোখে বোধ হয় বললো  সেও বলো জ্বলবো আর কতো ?

চিন্তাটাও ঘুরছে আমার এবার বক্র কক্ষপথে

সত্যি সেও ক্লান্ত ভীষণ ছুটি পাবে কখন ?

ভাবতে ভাবতে দিন গড়িয়ে রাতের কোলেকখন যেন মেষে।

লক্ষ তারার উঁকি-ঝুঁকি বুঝি মনেরহাজার

অস্থিরতা বোঝে।

ওরাও আমায় বললো যেনো দেখো পুড়ছিও যে মোরা।

চুপি, চুপি তবুও হাসি কাঁদতে যে মোদেরমানা।

হঠাৎ চাঁদের পানে চাহি, আখি মোররুপোলি রঙে হলো অভিভূত।

তবুও দেখি তার বুকে লেগে আছে হাজারক্ষত,ব্যাথার ইতস্তত।

বোধ হয় সেও বলছে আমায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো

যিনি শ্রষ্টা তোমার, স্রষ্টা আমার, স্রষ্টা তিনিএমন কোটি রহস্যেরও।

ভোর হতে না হতেই দেখি জানলা বেয়েবৃষ্টি ধারা নামে,

আকাশ বুঝি হালকা হলো এবার ধুলাবালি

ভরা মুখখানি ধুয়ে।

বাতাস কেমন শান্ত এবার, ডালে ডালেনাচে।

শ্রষ্টা বোধ হয় আড়ালে থেকে সৃষ্টি পানেহাসে ।