তিয়াষা গুপ্ত, টিডিএন বাংলা: চির নূতনেরে দিল ডাক পঁচিশে বৈশাখ। ২৫ বৈশাখ শুধুই একটা উৎসবমুখর দিন? বোধহয় নয়। তাঁর জীবন দর্শনের আলোকে শুদ্ধ হোক সমগ্র বাঙালি জাত। তিনি বাঙালির কাছে হিমালয়ের মতো বিস্ময়। তাঁর দর্শনের ছায়া মেলে ধরেছে উপন্যাস, গান, কবিতাগুলি। সেই সাহিত্যই জীবনের বিভিন্ন পদক্ষেপে উজ্জীবিত করে চলেছে একটা জাতিকে। শুধু একটা দিনে রবীন্দ্র উদযাপন নয়, সমগ্র জীবন ধরে বাঙালি অন্বেষণ করে চলে এই মহাবিস্ময়ের।

ধর্মের গোঁড়ামি সম্পর্কে খুব সহজ ভাবে তিনি দর্শনের কথা তুলে ধরেছেন একটি বিখ্যাত লাইনের মধ্যে।

`ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে, অন্ধ সেজন মারে আর শুধু মরে।‘

সমাজে বৈষম্যের ছবি তুলে ধরে তিনি দেখিয়েছেন, `এ জগতে, সেই বেশি চায় যার আছে ভূরি ভূরি- রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।‘

অহঙ্কার বোধ ভয়ানক! রবীন্দ্রনাথ লিখলেন- `যারে তুমি নিচে ফেল, সে তোমারে বাঁধিবে যে নিচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে, সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।‘

রবীন্দ্রনাথ তাঁর `বোঝাপড়া’ কবিতার মাধ্যমে জীবনের চরম সত্যকে তুলে ধরেছেন। মনেরে তাই কহ যে, ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।

এভাবেই রবীন্দ্র কাব্য-সাহিত্যের গভীরে ডুব দিয়ে বাঙালির চেতনা চিন্তনে জীবন দর্শনের অনুরণন ঘটে।