টিডিএন বাংলা ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে চীনের গণবিক্ষোভ নিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছিল ফেসবুক ও ট‍্যুইটারের বিরুদ্ধে। এবার বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠল ইউটিউবের বিরুদ্ধেও। অভিযোগের ভিত্তিতে গুগল ২১০ টি ইউটিউব চ‍্যানেল বন্ধ করে করেছে। ধারণা করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয়ভাবে চীন এসব চ্যানেল ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলন সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াতে পেছন থেকে কাজ করছে। বিবিসির এক বিবৃতিতে এমনটাই প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, গুগলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্দোলনকে প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হচ্ছিল এমন ২১০টি চ্যানেল আমরা সপ্তাহের শুরুর দিকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যেখানে হংকংয়ে চলমান আন্দোলন সম্পর্কে নানা ধরনের ভিডিও আপলোড করা হত। ফেসবুক ও টুইটার কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

টুইটার বলেছে, চীনের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় হংকংয়ের চলমান আন্দোলন খাটো করে নানা ধরনের পোস্ট দেয়া হতো। তবে এই বিষয়ে গুগল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

চীনা ব্রডকাস্টার সিনহুয়া-র মতো রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া সংস্থাগুলির বিজ্ঞাপন বিক্রয় নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছিল কিনা তা সংস্থাটি এখনও বলেনি।

হংকং-বিরোধী বিজ্ঞাপনগুলিকে ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় তীব্র সমালোচনার পর, টুইটার ঘোষণা করে যে তারা আর আর্থিক ও সম্পাদকীয়ভাবে সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ব্রডকাস্টারদের বিজ্ঞাপনগুলিকে আর অনুমতি দেবে না।