টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যথা যথ ভাবে পদক্ষেপ নেয়ার কারণে করোনা নিয়ন্ত্রণে। অনেকে গ্রামে চলে গেছেন। আমাদের হয়তো কয়েকদিন ছুটি বাড়াতে হতে পারে। হয়তো ছুটি ৯ তারিখ পর্যন্ত বাড়াতে হতে পারে। তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এ বিষয়ে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। সরকারি ছুটি থাকার কারণে খেটে খাওয়া মানুষগুলো সমস্যায় পড়েছে। অসহায়, দিনমজুর, দরিদ্ররা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদেও খাদ্য সহায়তা দিতে ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার ডিসি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মোকাবিলায় দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাটা জরুরি। আমাদেও দেশটা ছোট কিন্তু মানুষ বিশাল। এরপরও আমরা মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। সেজন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণ পর্যায়ে রয়েছে।

‘বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিজের সুরক্ষা নিজেকেই দিতে হবে। স্বাস্থ্যবিধিসমূহ মেনে চলতে হবে। এতেই করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
সবাইকে ঘরে অবস্থানের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা প্রতিরোধে মানুষের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আপনারা এসব নির্দেশনা মেনে চলুন।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনার থাবা রয়ে গেছে। আমরা বিশ্ব থেকে দূরে নই। আমাদের আরও সচেতন থাকা দরকার। আমরা আমাদেও দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্য অনেক আগে থেকেই কাজ করে দিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে করোনা না ছড়ায় সেজন্য সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে।
করোনা উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে কোনো লুকোচুরি করার সুযোগ নেই। লুকোচুরি করলে নিজের জীবনকেই ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া। জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। জনকল্যাণে যেসব কাজ করতে হবে তা যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।
ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে হবে।