টিডিএন বাংলা ডেস্ক: মারণ করোনা ভাইরাস প্রথম হানা দেয় চিনে। তাঁর পর থেকে এখনও করোনার থাবায় চিনে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। বর্তমানে চিন ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে থাবা বসিয়েছে করোনা। করোনার মারণ থাবায় খনও পর্যন্ত গোটা বিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৬৪৪ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৯০৬। সম্প্রতি করোনাকে মহামারী আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রাষ্ট্রপুঞ্জও মহামারী আখ্যা দিয়ে করোনা মোকাবিলায় নেমেছে। এরই মধ্যে চাঞ্চল্য কর দাবি করলেন আমেরিকার এক গবেষক। ‘করোনা আসলে চিন নির্মিত একটি জৈব অস্ত্র!’ এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করলেন মার্কিন অধ্যাপক ফ্রান্সিস বয়েল। ডঃ বয়েলেরও দাবি, কানাডায় উইনিপেগের যে ল্যাবে করোনা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছিল, সেখানে ছিলেন চিনা এজেন্টরা। তাঁরাই ওই ল্যাব থেকে এই ভাইরাস পাচার করে।

‘জিওপলিটিক্স অ্যান্ড এমপায়ার’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্রান্সিস বয়েল দাবি করেন, ‘করোনা আসলে চিন নির্মিত একটি জৈব অস্ত্র এবং যা তৈরি হয়েছে বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবরেটরিতে।’ তাঁর আরও দাবি, চিনের এই জৈব অস্ত্র নির্মাণের খবর অজানা নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থারও। হু জানত, চিনে এমন ‘বায়োলজিক্যাল ওয়েপন’ তৈরি করছে, এমনই বিস্ফোরক দাবি ফ্রান্সিস বয়েলের।

শুধু ফ্রান্সিস বয়েল নয় তাঁর সঙ্গে কার্যত সহমত হয়েই লেখক জে আর নিকোয়েস্টও একই দাবি করেছেন। ‘অরিজিনস অব দ্য ফোর্থ ওয়ার্ল্ড ওয়ার’, ‘দ্য ফুল অ্যান্ড হিজ এনিমি’, ‘দ্য নিউ ট্যাকটিস অব গ্লোবাল ওয়ার’-এর মতো বইয়ের জনক নিকোয়েস্টের বক্তব্য, কানাডা থেকে করোনা ভাইরাস চুরি করে চিন এটাকে মারণাস্ত্রে পরিণত করেছে!

এমনকি ‘বায়োওয়ারফেয়ার অ্যান্ড টেররিজম’ (২০০৫), ‘দ্য তামিল জেনোসাইড বাই শ্রীলঙ্কা’ (২০০৯), ‘ডেস্ট্রয়িং লিবিয়া অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড অর্ডার’ (২০১৩) সহ আরও একাধিক বিখ্যাত বইয়ের লেখক ওই সাক্ষাৎকারে এমনও দাবি করেন, চিন এই মারাত্মক এবং আক্রামণাত্মক জৈব অস্ত্র দ্বৈত ব্যবহারের জন্যই তৈরি করেছে। আর সেকারণেই করোনাভাইরাসের বিষয়টি যথাসম্ভব ধামাচাপা দেওয়ারও চেষ্টা করছে চিন।