টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ইতিমধ্যেই মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছে চিনে। করোনাভাইরাসের থাবায় নাজেহাল চিন। দিনের পর দিন মৃত্যু বেড়েই চলেছে। চিন ছাড়িয়ে বিশ্বের ২৫ টি প্রবেশ করেছে করোনা। চিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাজার হাজার মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে চিন সরকারের বিরুদ্ধে। এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর মিলল ফ্রান্স থেকে। ফ্রান্সে গিয়ে জ্বরে পড়েছিলেন বয়স আশির চিনা পর্যটক। শনিবার সকালে প্যারিসের বার্নার্ড হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ওই চিনা পর্যটকের। মৃতের মেয়েও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

জানা গেছে চিনের হুবেই থেকে ফ্রান্সে বেড়াতে এসেছিলেন বয়স আশির এক চিনা পর্যটক। করোনাভাইরাসের আঁতুরঘরই হল এই হুবেই প্রদেশ। গত ২৫ জানুয়ারি থেকে প্যারিসের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিনা তখন জানা যায়নি। যতদিনে সংক্রমণের আসল কারণ সামনে আসে ততদিনে ওই পর্যটক প্রায় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন। শনিবার সকালে প্যারিসের বার্নার্ড হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ওই চিনা পর্যটকের। মৃত্যুর কারণ সিভিয়ার অ্যাকুউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোম। এদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে না রাখার কারণে হাসপাতালের বাকি রোগীদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রী অ্যাগনেস বুজান জানিয়েছেন, হুবেই থেকে ফ্রান্সে বেড়াতে এসেছিলেন ওই চিনা পর্যটক। গত ২৫ জানুয়ারি থেকে প্যারিসের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। নিউমোনিয়ার উপসর্গ ছিল। পরে জানা যায় তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। ওই পর্যটকের মেয়েও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তাঁকে এখন আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া অবধি তাঁকে ওয়ার্ডের বাইরে বেরতে দেওয়া হবে না।