টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দুনিয়া জুড়ে উদ্বেগ আছে। তারপরেও পূর্ব জেরুসালেমের উপর ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে আমেরিকান স্বীকৃতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জেরুসালেমের মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, মার্কিন দূতাবাস ভবনকে ৭০০ বর্গ মিটার বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন জেরুসালেমের মেয়র।

মার্কিন দূতাবাসের বিস্তৃতি অনুমোদন ঘোষণা করতে পেরে জেরুসালেমের বিদায়ী মেয়র নির বরকত ‘সুখী ও গর্বিত’ ছিলেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে জার্মান নিউজ সার্ভিস ডিপিএ।

তেল আবিব থেকে দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানান্তরিত করা এবং ইসরাইলের রাজধানী হিসাবে জেরুসালেমকে স্বীকৃতিদানে মার্কিন প্রশাসনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ছয় মাস পরে সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এসেছে। অথচ দু’টি সিদ্ধান্তেই বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

অক্টোবরে আমেরিকা ঘোষণা করেছিল যে, জেরুসালেমে তাদের দূতাবাস বন্ধ করবে, যার বেশিরভাগই ফিলিস্তিনিদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল। এটিকে নতুন দূতাবাসের একটি পৃথক বিভাগে প্রতিস্থাপিত করা হবে।

‘প্রথম পর্যায়ে জেরুসালেমের দূতাবাসে ছিল রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় এবং অল্প কিছু কর্মীদের অফিসের স্থান। ২০১৯ সালের গ্রীষ্মে ভবনটির দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হবে। এরপর তেল আবিব থেকে আরো কর্মীদের এখানে স্থানান্তরের জন্য অনুমতি দেয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিসেম্বর মাসে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে জেরুসালেমকে স্বীকৃতি দিয়ে আরব বিশ্বকে ক্ষুব্ধ করেন এবং আন্তর্জাতিক উদ্বেগকে বাড়াতে ইন্ধন যোগান।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মামলা করেছিল ফিলিস্তিনিরা। প্রথমবারের মতো জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলির লঙ্ঘন।

ফিলিস্তিনি ও ফিলিস্তিনি নেতাদের সাথে ইসরাইলের মারাত্মক বিরোধ হচ্ছে জেরুসালেমের ব্যাপারে অবস্থানগত মতপার্থক্য নিয়ে। এই ব্যাপারে কয়েক দশক ধরে চলমান মার্কিন নীতিমালা বিসর্জন দিয়ে অস্থিতিশীলতার বীজ বপণে অভিযুক্ত ট্রাম্প। কিন্তু মানবতাকে বিসর্জন দিয়ে এইভাবে কি একটি রাষ্ট্রের নীতি চলতে পারে? উঠছে প্রশ্ন।